কোরআনের একাধিক স্থানে আল-আকসাকে বরকতময় এবং পবিত্র ভূমি বলা হয়েছে। অসংখ্য নবী রাসূলের স্মৃতিধন্য এ পূণ্যভূমি দীর্ঘকাল ইসলামী শিক্ষা, সভ্যতা এবং সংস্কৃতির অত্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিলো। আইয়ুবী সুলতানদের নির্মিত ঐতিহাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও মুসলিম শাসকদের অনেক স্মৃতিচিহ্ন ধারণ করে আছে আল-আকসার পূণ্যভূমি।

বায়তুল মাকদিস শহরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সহস্র বছরেরও প্রাচীন ইতিহাস। বায়তুল মাকদিস শহরটি বর্তমানে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল উভয়ই দাবি করে আসছে। বিশ্বের সবচেয়ে পবিত্র স্থানগুলোর একটি বলে গণ্য করা হয় এই শহরকে। কুদসের নাম ইহুদী, ইসলাম ও খ্রিস্টান ধর্মের সাথে ওতপ্রোতভাবে ও গভীরভাবে জড়িত। প্রাচীন কাল থেকেই এই শহরে ভয়াবহ সংঘর্ষ চলে আসছে নানান কিছুকে কেন্দ্র করে।

আল-আকসা পৃথিবীতে নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ। মক্কায় মসজিদে হারাম নির্মাণের ৪০ বছর পরে এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়। প্রথমে কে আল-আকসা নির্মাণ করেন তা নিশ্চিত করে জানা না গেলেও এ ব্যাপারে ঐতিহাসিকদের তিনটি মত পাওয়া যায়। কেউ বলেন, এই মসজিদের প্রথম নির্মাতা হলেন আদি-পিতা হযরত আদম (আ.)। কেউ বলেন, নূহ (আ.)-এর সন্তান সাম এই মসজিদের আদি নির্মাতা। আবার কারো মতে, হযরত ইবরাহীম (আ.) প্রথম এই মসজিদের ভিত্তি নির্মাণ করেন।

আধুনিক গবেষকরা হযরত আদম (আ.)-কে এই মসজিদের প্রথম নির্মাতা বলে মতামত দিয়েছেন। নূহ (আ.)-এর মহাপ্লাবনে ধ্বংস হওয়ার পরে হযরত ইবরাহীম (আ.)-এর পুনঃনির্মাণ করেন। পরবর্তীতে তার বংশধররা এই মসজিদের পরিচর্যার দায়িত্ব পালন করেন। কালের পরিক্রমায় হযরত মূসা (আ.)-সহ অনেক নবী এই মসজিদের সংস্কার কাজ করেন। হযরত দাউদ ও সুলায়মান (আ.)-এর সময় পর্যন্ত অনেক সংযোজনের মধ্য দিয়ে মসজিদে আকসা বিস্তৃত কম্পাউন্ডে রূপান্তরিত হয়।

যাইহোক, হযরত ইবরাহীম (আ.) বায়তুল মাকদিসেও একটি উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করছিলেন। কাবা নির্মাণের চল্লিশ বছর পর তিনি এটিকে আরও সম্প্রসারণ করেন যা পরবর্তীকালে ‘বাইতুল মুকাদ্দাস’ নামে পরিচিত হয়। মসজিদে হারামের তুলনায় দূরতম উপাসনার স্থান হওয়ায়, ইবরাহীম (আ.) এটিকে ‘মাসজিদে আকসা’ বলেও উল্লেখ করতেন। হযরত ইসহাক (আ.)-ও এখানে ইবাদত করতেন; তবে তিনিও তাঁর পিতার মতো কাবাতে হজ্জ করতে গিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে ইয়াকুব (আ.) এটিকে বর্ধিত করেছিলেন। তারও পরে হযরত সুলায়মান (আ.) এই উপাসনার স্থানটির স্থাপত্য তৈরি করেন ও তাঁর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেন।

হযরত সুলায়মান (আ.) আল-আকসা চত্বরে একটি আলীশান ভবন নির্মাণ করেন। যেটিকে ‘হায়কালে সুলায়মানি’ বলা হতো। পরবর্তী সময়ে ধর্ম বিকৃতকারী ইহুদিরা এটিকে তাদের মন্দির হিসেবে গ্রহণ করে। তারা এটির নাম দেয় ‘সলোমন টেম্পল’। এরপর, খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে ব্যাবিলনের বাদশাহ বখতে নাসর এই কম্পাউন্ডে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। ‘হায়কালে সুলায়মানি’কে সে গুড়িয়ে দেয়। নবীদের স্মৃতিস্মারকগুলোকে লুট করে নিয়ে যায়। অথবা, এভাবে বলা যেতে পারে যে, ৫৮৬ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে ব্যাবিলনীয়রা বায়তুল মাকদিস অধিকৃত করে। তারা তৎকালীন মন্দির ধ্বংস করে এবং ইহুদীদের নির্বাসনে পাঠায়। ইহুদীদের সাথে শুরু হয় বৈরিতা।

এসব ঘটনার পর তৎকালীন ইরানের সম্রাট বাবেল শহর জয় করেন। তার আনুকূল্যে ইহুদিরা আবারও বায়তুল মাকদিসের দখল নেয়। ইতিহাস বিশ্লেষণ করে অনেক ইতিহাসবিদ বলেন এই সম্রাট হলেন কোরআনে বর্ণিত যুলকারনাইন, বা সাইরাস দি গ্রেট। এই সম্রাটের বিজয়ের পর তারা ‘সলোমন টেম্পল’ পুননির্মাণ করে। এটিকে তারা ‘সেকেন্ড টেম্পল’ নাম দেয়।

এর কতগুলো বছর পরে গ্রিক সম্রাট অ্যারোটেনিস গোটা ফিলিস্তিন দখল করে ‘সলোমন টেম্পল’কে গ্রীক উপাসনালয়ে পরিণত করে। পরবর্তী সময়ে ৩১২ খ্রিস্টাব্দে রোম সম্রাট কনস্টান্টিনোপল খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত হলে বায়তুল মাকদিসে খ্রিস্টানদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী আল-আকসা কমেপ্লেক্সেই ‘যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিলো’। ফলে এখানে তারা একটি গির্জা প্রতিষ্ঠা করে। তবে একটা বর্ণনায় জানা যায়, ৩১৫ সালে খ্রিষ্টান ধর্মে রূপান্তরিত রোমান সম্রাজ্য এটিকে ময়লা ফেলার স্থানে পরিণত করে এবং এসময় ইহুদীরাও এটিকে তাদের পবিত্র স্থান বলে মনে করতো না।

এসময় বহু নবী এবং আল্লাহর প্রতিনিধিকে হত্যাকারী ইহুদি সম্প্রদায় ভূমিহীন এবং আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে। কোরআনে ঘোষিত ইহুদি জাতির প্রতি লাঞ্চনার প্রতীক হিসেবে আধুনিক ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত তারা ভূমিহীন থাকে। 

বায়তুল মাকদিস শহরটি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের কাছে অনেকভাবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এখানেই শিশু হিসেবে এসেছিলেন যিশু খ্রিস্ট, যিনি খ্রিষ্ট ধর্ম প্রচারক। প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় এখানেই ধর্ম প্রচার করেছেন তিনি। আর তাদের বর্ণনা মতে, জীবনের শেষে এখানেই ক্রুশে বিদ্ধ হয়েছেন। আবার ইহুদীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণের কারণ হলো, হযরত মূসা (আ.) পূণ্যভূমি এই বায়তুল মাকদিস। ইহুদীদের প্রথম মন্দির এই শহরে অবস্থিত ছিলো, যা টেম্পল মাউন্টে অবস্থিত। ৩৭ খ্রিষ্টাব্দে রাজা হেরড সেখানে দ্বিতীয় মন্দির তৈরি করেন এবং সেটার চারপাশে দেয়াল তুলে দেন। রোমানরা এগুলো ধ্বংস করে দেয় ৭০ খ্রিষ্টাব্দে। এভাবে চলতে থাকে দীর্ঘদিন।

মেরাজের রাতে রাসূল (স.)-এর আল-আকসায় আগমনের মধ্য দিয়ে বায়তুল মাকদিসের নতুন ইতিহাসের সূচনা হয়। হিজরী ১৪ সালে খলীফা উমর (রা.) ফিলিস্তিন চূড়ান্তভাবে বিজয় করেন; প্রতিষ্ঠিত হয় প্রকৃত ন্যায় ও আদালত। এরপর ৭২ হিজরি মোতাবেক খ্রিস্টিয় ৬৯১ সালে উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিক বিন মারওয়ান সেখানে নির্মাণ করেন অষ্টকোণাকৃতির ঐতিহাসিক কুব্বাতুস সাখরা বা সোনালী গম্বুজ। এর ভিতরে একটি পাথর আছে, এই পাথরকে কেন্দ্র করে এই গম্বুজ নির্মাণ করা হয়েছে। ইহুদি বিশ্বাস মতে এটি পৃথিবীর ফাউন্ডেশন স্টোন।

কুব্বাতুস সাখরায় ইসলামী স্থাপত্যের প্রাচীন নমুনার নকশা মেলে। অষ্টকোণাকৃতির বেজমেন্ট থেকে স্বর্ণ খচিত গম্ভুজের উচ্চতা বিশ মিটার। ফিরোজা রঙয়ের টাইলসে অঙ্কিত হয়েছে বিভিন্ন ধরনের শৈল্পিক কারুকাজ। গম্ভুজের দেয়ালের শোভা বর্ধন করেছে সূরা ইয়াসিনের লিখিত আয়াতগুলো।

কুব্বাতুস সাখরা ছাড়াও আল-আকসা কমপ্লেক্সে ছোট বড় আরও কয়েকটি মসজিদ নির্মিত হয়েছে পরবর্তী মুসলিম শাসনামলে। তার মধ্যে অন্যতম হলো- কিবলি মসজিদ, মারওয়ানি মসজিদ, বেরাক মসজিদ। এই মসজিদগুলোর বিভিন্ন মেহরাব, মিম্বার ইত্যাদির সমন্বিত পরিচয় আল-আকসা।

উমাইয়া খেলাফতকালে ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। উমাইয়া শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় আল আকসা ইসলামী শিক্ষা-সংস্কৃতির কেন্দ্রভূমিতে পরিণত হয়। বেশ কিছু মাদরাসা প্রতিষ্ঠিত হয় আল আকসা কমপ্লেক্সে।

উমাইয়াদের পর আব্বাসীয় শাসকরাও আকসার পৃষ্ঠপোষকতা জারি রাখে। তাদের শাসনামলেও অনেক সংস্কার হয়। কিন্তু রাজধানী বাগদাদ থেকে আল-আকসার অবস্থান দূরে হওয়ায় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণে কিছু শিথিলতা আসে। এর সুযোগ নিয়ে শিয়া ইসমাঈলিয়া গোষ্ঠী ফিলিস্তিন দখল করে নেয়। প্রায় একশত বছর আল-আকসা তাদের শাসনাধীন ছিলো।

পরবর্তীতে সেলজুক সুলতানরা আল-আকসা পুনরুদ্ধার করেন। এসময় নতুন করে বিশুদ্ধ ইসলামী শিক্ষাধারার প্রচলন নতুন করে শুরু হয়। লোকশ্রুতি আছে, ইমাম গাজ্জালী এসময় কিছুকাল আল-আকসায় অবস্থান করেছিলেন।

এর কিছুদিন পরই ইসলাম ও মুসলমানদের ওপর নেমে আসে ভয়াবহ দুর্যোগ। ১০৯৯ খ্রিস্টাব্দে ক্রুসেড বাহিনী বায়তুল মাকদিস-সহ সিরিয়া দখল করে নেয়। পবিত্র আল-আকসা দখল করে ক্রুসেডাররা সেখানে গণহত্যা চালায়। মসজিদগুলোর কোনটিকে গির্জা, কোনটিকে আস্তাবলে পরিণত করে।

প্রায় নব্বই বছর পর্যন্ত আল-আকসা মুসলমানদের বেদখল থাকে। পরবর্তীতে আল্লাহ তায়ালা সুলতান গাজী সালাহউদ্দীন আইয়ুবীকে বায়তুল মাকদিস পুনরুদ্ধারের মহাসৌভাগ্য দান করেন। ১১৮৭ সালে আল আকসায় পুনরায় মুসলমানের নামাজ পড়ার তাওফিক হয়।

এ সময় সুলতান সালাহউদ্দীন আইয়ুবী বিজয়ের স্মৃতিস্মারক হিসেবে আল-আকসা কমপ্লেক্সে একটি মিম্বার নির্মাণ করেন। মামলুক সুলতানদের শাসনামলে এখানে আন্তর্জাতিক মানের একটি ইসলামী প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। আল-আকসা আবারও ইসলামী জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়।   

ষোলো শতকের শুরুর দিকে আল-আকসা উসমানীয় খলিফাদের নিয়ন্ত্রণে আসে। উসমানীয় শাসকরা মক্কা, মদীনায় অবস্থিত পবিত্র দুই মসজিদের মতোই আল-আকসার পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষ তৎপর ছিলেন। আল-আকসার প্রতি সুলতান সুলাইমান আল-কানুনীর বিশেষ নির্দেশনা ছিলো। শেষ স্বাধীন উসমানীয় সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদও ইহুদিদের নানামুখী কূট-ষড়যন্ত্র এবং প্রলোভনের মুখে আল-আকসা রক্ষায় অত্যন্ত দৃঢ়চেতা ও অনমনীয় ছিলেন।

সর্বশেষ উসমানীয় খেলাফত বিলুপ্তির পর আল-আকসাবাসীর ভাগ্যে নেমে আসে নতুন দুর্যোগ। সে দুর্যোগ এখনও চলমান। এখন আল-আকসায় দুই রাকাত নামাজ পড়তেও প্রয়োজন হয় ইহুদি সেনাদের ছাড়পত্র।

১৯১৭ সালে বেলফোর ডেক্লারেশন ও ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনের মাঝেই ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার পর ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে আল-আকসার নিয়ন্ত্রণ হারায় মুসলমানরা। এর আগে এটি জর্ডানের শসকদের কর্তৃত্বাধীন ছিলো। বর্তমানে আকসা কমপ্লেক্স ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মসজিদ পরিচালিত হয় জর্ডান-ফিলিস্তিনের একটি ওয়াকফ প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে। যদিও এর প্রবেশপথগুলোতে মোতায়েন করা থাকে ইহুদি দখলদার সেনাদের। তারা অনেক তল্লাশির পরে মুসল্লিদেরকে মসজিদে আকসায় প্রবেশ করতে দেয়।

যাইহোক, নির্মাণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং রাজনৈতিক কারণে কয়েক দফা ধ্বংস এবং পুনঃনির্মাণের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে বর্তমানের আল-আকসা কমপ্লেক্স। প্রায় ১৪ হেক্টর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত আল-আকসা কমপ্লেক্স একক কোনো স্থাপনা নয়। চার দেয়াল বেষ্টিত এ কমপ্লেক্সে মসজিদ, মিনার মেহরাব ইত্যাদি মিলিয়ে ছোট বড় প্রায় দুইশত ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে।

৩৬ বার পঠিত

শেয়ার করুন

Picture of মিফতাহুর রহমান

মিফতাহুর রহমান

পড়াশোনা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগে। দীর্ঘদিন যাবত লেখালেখি ও অনুবাদের সাথে যুক্ত আছেন। তার প্রকাশিত যৌথ অনুবাদ গ্রন্থ 'মসজিদে আকসাকে মুক্ত করার কৌশলগত পরিকল্পনা'। এককভাবে অনুবাদ করেছেন, “আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মসজিদে আকসার ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব"। পড়াশুনার পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখি ও অনুবাদ চলমান রেখেছেন। অনুবাদ করছেন বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ। তার আগ্রহ ইতিহাস, উসূল, ধর্মতত্ত্ব, ফিকহ, রাজনীতিতে। এছাড়া ত্রৈমাসিক মিহওয়ার-এর সহকারী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
Picture of মিফতাহুর রহমান

মিফতাহুর রহমান

পড়াশোনা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগে। দীর্ঘদিন যাবত লেখালেখি ও অনুবাদের সাথে যুক্ত আছেন। তার প্রকাশিত যৌথ অনুবাদ গ্রন্থ 'মসজিদে আকসাকে মুক্ত করার কৌশলগত পরিকল্পনা'। এককভাবে অনুবাদ করেছেন, “আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মসজিদে আকসার ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব"। পড়াশুনার পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখি ও অনুবাদ চলমান রেখেছেন। অনুবাদ করছেন বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ। তার আগ্রহ ইতিহাস, উসূল, ধর্মতত্ত্ব, ফিকহ, রাজনীতিতে। এছাড়া ত্রৈমাসিক মিহওয়ার-এর সহকারী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মতামত প্রকাশ করুন

Scroll to Top