সভ্যতার বিকাশে বইয়ের ভূমিকা অপরিসীম। ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ চিন্তাধারা, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, সাহিত্যিক সৃষ্টি ও দার্শনিক অনুসন্ধান বইয়ের মাধ্যমেই সংরক্ষিত ও বিস্তৃত হয়েছে।
ইসলামী জ্ঞান-ঐতিহ্যে কোনো গ্রন্থ রচনার পরপরই তার ওপর শরাহ (ব্যাখ্যাগ্রন্থ), হাশিয়া (টীকা) কিংবা নকদ (সমালোচনা) রচনার একটি দীর্ঘ ও প্রাণবন্ত ঐতিহ্য বিদ্যমান ছিলো। কোনো গ্রন্থকে কেবল পাঠ করাই যথেষ্ট নয়; তার বক্তব্যকে বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে যাচাই করাটাই ছিলো ইলমী ঐতিহ্যের প্রাণ।
আজকের তথ্যবহুল যুগে প্রতিনিয়ত অসংখ্য গ্রন্থ প্রকাশিত হচ্ছে, কিন্তু প্রতিটি গ্রন্থই সমান গুরুত্ব বা নির্ভরযোগ্যতার দাবিদার নয়। ফলে একজন পাঠকের জন্য প্রয়োজন এমন একটি সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি, যা দিয়ে সে কোনো গ্রন্থের বক্তব্য ও অন্তর্নিহিত অর্থকে যাচাই করে নিতে পারবে।
‘বই পর্যালোচনা’ বিভাগে রোয়াক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থের বিষয়বস্তু, প্রেক্ষাপট, চিন্তাগত গুরুত্ব সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে বিশ্লেষণের মাধ্যমে পাঠকদের চিন্তার নবায়ন ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।