আলেমসম্রাট আব্দুল হাকিম শিয়ালকোটি

শোষণ ও আগ্রাসনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ শাসন যখন সহস্রাব্দব্যাপী বিকশিত এক সভ্যতার কেন্দ্রভূমিকে নিজেদের ঔপনিবেশিক স্বার্থের উপযোগী করে পুনর্গঠনে ব্যস্ত, তখন তারা ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক অনুগত আমলাশ্রেণি তৈরির মাধ্যমে কেবল রাজনৈতিক কর্তৃত্বই বিস্তার করেনি; একই সঙ্গে সুপরিকল্পিতভাবে আঘাত হেনেছিলো সে সভ্যতার জ্ঞানগত স্মৃতি, চিন্তার উত্তরাধিকার ও জ্ঞানকেন্দ্রগুলোর ওপর।
 
শোষক ও সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশদের আগমনের পূর্বে ভারতীয় উপমহাদেশ দর্শন, কালাম ও জ্ঞানচর্চার দিক থেকে ছিলো এক অত্যন্ত সমৃদ্ধ ভূখণ্ড। মামলুক, খিলজি, তুঘলক, সাইয়্যেদ, লোদি ও মুঘল শাসকেরা এই অঞ্চলে কেবল একটি ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক ব্যবস্থাই প্রতিষ্ঠা করেননি; বরং তাঁদের দীর্ঘ শাসনপর্বে উপমহাদেশকে জ্ঞান, চিন্তা ও সভ্যতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রভূমিতে পরিণত করেছিলেন।
 
মুসলিম শাসনামলে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে ওঠে জ্ঞানচর্চার অসংখ্য কেন্দ্র। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে খ্যাতনামা আলেম, চিন্তাবিদ, মুতাফাক্কির, মুতাকাল্লিম, গণিতবিদ ও স্থপতিদের আমন্ত্রণ জানানো হয় এই ভূখণ্ডে। তাঁদের জ্ঞান, মনন ও সৃজনশীলতার সম্মিলনে ভারতবর্ষ ক্রমে জ্ঞান ও চিন্তাগত উৎকর্ষের বিচারে এক সমৃদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রভূমিতে পরিণত হয়।
 
বিশেষত সুলতান জাহাঙ্গীর ও শাহজাহানের শাসনামলে এই জ্ঞানচর্চা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছায়। এর প্রভাব ভারতবর্ষের সীমানা অতিক্রম করে উসমানীয় খেলাফতের মাদ্রাসা ও শিক্ষাগত পরিমণ্ডলেও বিস্তৃত হয়। এই সমৃদ্ধ জ্ঞানপরম্পরার অন্যতম কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন ইসলামী চিন্তাধারার বিশিষ্ট দিকপাল, আব্দুল হাকিম শিয়ালকোটি (১৫৮০–১৬৫৭), যিনি সমকালীন আলেমদের কাছে ‘পাঞ্জাবের সূর্য’‘মালিকুল উলামা’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন।
 
পাঞ্জাবের শিয়ালকোট শহরে বেড়ে ওঠা আব্দুল হাকিম শিয়ালকোটি (মৃত্যু: ১৬৫৭) কালাম, মানতিক, বালাগাত ও তাফসীরসহ জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় গভীর ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন এবং ভারতবর্ষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহাক্কিক আলেম হিসেবে নিজের স্থান প্রতিষ্ঠিত করেন। ইমাম ফখরুদ্দীন রাযীর পর যে তাহকিকি ধারার বিকাশ ঘটে, পরবর্তী যুগে সেই ধারার প্রতিনিধিত্বকারী আলেমগণের মধ্যে আব্দুল হাকিম শিয়ালকোটি ছিলেন এক স্বতন্ত্র ও অনন্য মর্যাদার অধিকারী।
 
শিয়ালকোটিকে যে বৈশিষ্ট্যটি বিশেষভাবে স্বতন্ত্র করে তোলে, তা হলো তাঁর তাহকীকনির্ভর চিন্তাপদ্ধতি। তিনি ধ্রুপদী ইলমুল কালাম ও দর্শনের প্রচলিত বক্তব্যের পুনরাবৃত্তিতেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি; বরং দার্শনিক চিন্তাধারার ওপর উত্থাপিত সমালোচনাগুলোকেও গভীর অনুসন্ধান ও পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে যাচাই করেছেন। বিশেষত ওজুদ (অন্টোলজি), ইলমে ইলাহী ও কার্যকারণতত্ত্বের মতো মৌলিক প্রশ্নে তিনি কালাম ও দর্শনের সুগভীর ঐতিহ্যের মধ্যে এক সৃজনশীল সমন্বয় সাধন করেন এবং এর ভিত্তিতে স্বকীয় ও মৌলিক ব্যাখ্যার একটি স্বতন্ত্র ধারা নির্মাণ করেন।
 
বিশেষত ‘শারহুল-মাওয়াকিফ’, ‘শারহুল-আকায়িদ’ ও ‘আল-মুতাওয়াল’-এর ওপর তাঁর রচিত হাশিয়াগুলো গভীর অনুসন্ধান, সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ ও স্বতন্ত্র চিন্তার উজ্জ্বল পরিচয় বহন করে। এর মাধ্যমে তিনি শারহ ও হাশিয়ার ঐতিহ্যকে নিছক ব্যাখ্যা বা পুনরাবৃত্তির গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না রেখে তাকে গবেষণা, পর্যালোচনা ও সৃজনশীল জ্ঞানচর্চার এক উচ্চতর স্তরে উন্নীত করেছিলেন।
 
যদিও তিনি সমগ্র জীবন ভারতীয় উপমহাদেশেই অতিবাহিত করেছেন, তাঁর রচনাবলি অল্প সময়ের মধ্যেই উসমানীয় মাদ্রাসাসহ মুসলিম উম্মাহর বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক সমাদর লাভ করে। শতাব্দীকালব্যাপী তাঁর গ্রন্থসমূহ বিভিন্ন মাদ্রাসা ও জ্ঞানকেন্দ্রে মৌলিক পাঠ্য হিসেবে অধ্যয়ন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তাঁর চিন্তা ও জ্ঞানসাধনার প্রভাব ইসলামী জ্ঞানচর্চার বিভিন্ন ধারায় সুদূরপ্রসারী হয়ে ওঠে।
 
ঔপনিবেশিক শাসন যে সমৃদ্ধ জ্ঞানঐতিহ্যের স্মৃতি আমাদের মন থেকে মুছে দিতে চেয়েছিলো, আব্দুল হাকিম শিয়ালকোটির জীবন ও রচনাবলি সেই বিস্মৃত ইতিহাসকেই আবার সামনে নিয়ে আসে। স্মরণ করিয়ে দেয়, এই উপমহাদেশও একসময় এমন সব মনীষীর জন্ম দিয়েছিলো, যাঁদের চিন্তা ও জ্ঞান নিজ ভূখণ্ডের সীমানা পেরিয়ে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর উপর প্রভাব বিস্তার করেছিলো। আর সে কারণেই শিয়ালকোটি আমাদের কাছে শুধু অতীতের একজন বড় আলেম নন; তিনি আমাদের সভ্যতাগত আত্মবিশ্বাসেরও এক উজ্জ্বল মিনার।
২ বার পঠিত

শেয়ার করুন

Picture of বুরহান উদ্দিন আজাদ

বুরহান উদ্দিন আজাদ

অনুবাদক এবং জ্ঞান ও সভ্যতা বিষয়ক গবেষক বুরহান উদ্দিন আজাদ জামালপুর জেলার সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। দেশসেরা মাদরাসা থেকে আলেম পাশ করার পর উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে তুরস্কে গমন করেন এবং তুরস্কের আঙ্কারা বিশ্ববিদ্যালয়, মিডল ইস্ট টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও আঙ্কারা সোস্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশুনা করেন। তুরস্কে অবস্থানকালে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সাথে সাথে বড় বড় আলেম, স্কলার, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদের সান্নিধ্যে রাজনীতি, অর্থনীতি, দর্শন, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, উসূল ও মাকাসিদসহ আরও অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষালাভের পাশাপাশি Institute of Islamic Thought এবং Economic and Social Researches Center এর মত প্রসিদ্ধ দুইটি প্রতিষ্ঠানে গবেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষার জন্য জার্মানিতে অবস্থান করছেন এবং European Youth Association এর ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ত্ব পালন করছেন। এছাড়াও দেশের উল্লেখযোগ্য দুইটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করছেন। তাঁর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনূদিত গ্রন্থের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা ও ব্লগসাইটে উম্মাহর বিভিন্ন অঞ্চলের আলেম, দার্শনিক ও মুতাফাক্কিরগণের গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধের অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তার অনূদিত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলো হলো; ১। ইসলাম ও জ্ঞান || প্রফেসর ডঃ নাজমুদ্দিন এরবাকান ২। দাওয়াম || প্রফেসর ডঃ নাজমুদ্দিন এরবাকান ৩। ইসলাম শিক্ষা || প্রফেসর ডঃ সাইফুদ্দিন ইয়াজিযি ৪। উসমানী খিলাফতের ইতিহাস || প্রফেসর ডঃ ইহসান সুরাইয়্যা সিরমা ৫। মুসলিম যুবকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য || প্রফেসর ডঃ ইউসুফ আল কারদাভী ৬। Müslüman Lider Nasıl Olmalı || Prof. Gulam Azam (İlk Baskı, 2019) ৭। ইসলামী জ্ঞানে উসূলের ধারা || প্রফেসর ডঃ মেহমেদ গরমেজ (প্রথম প্রকাশ, ২০১৯) ৮। বিশ্বায়নের যুগে ইসলাম উম্মাহ এবং সভ্যতা || প্রফেসর ডঃ মেহমেদ গরমেজ ৯। ইসলামী ডেক্লারেশন || আলীয়া ইজ্জেতবেগভিচ ১০। বিশ্বব্যাপী আখলাকী সংকট || প্রফেসর ডঃ মেহমেদ গরমেজ ১১। সুন্নত ও হাদীস বুঝার মেথডোলজি || প্রফেসর ডঃ মেহমেদ গরমেজ ১২। ইসলামী সভ্যতায় নারী || ড: খাদিজা গরমেজ ১৩। ন্যায়ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা ও নতুন দুনিয়া || প্রফেসর ড: নাজমুদ্দিন এরবাকান (প্রকাশিতব্য) ১৪। জ্ঞানের পুনর্জাগরণ ও মেথডোলজি ¬¬|| প্রফেসর ড: তাহসিন গরগুন (প্রকাশিতব্য) ১৫। রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর শিক্ষাদান পদ্ধতি || ইবরাহীম হালিল আর ১৬। আমাদের সংগ্রামের মূলভিত্তি || প্রফেসর ডঃ নাজমুদ্দিন এরবাকান অনুবাদকৃত বইগুলো রকমারিতে পাওয়া যাবে - (https://www.rokomari.com/book/author/80313/burhan-uddin-azad) তাঁর অনূদিত গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধসসমূহ হলঃ ১।ইবনে খালদুন ও ইলমুল উমরান || প্রফেসর ড: তাহসিন গরগুন ২।শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভী ও উসূল || প্রফেসর ড: মেহমেদ গরমেজ ৩।ইসলামী চিন্তার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ || প্রফেসর ড: উমর তুরকের ৪।আল্লামা ত্বহা আব্দুর রহমানের চিন্তাদর্শন || প্রফেসর ড: মেহমেদ গরমেজ ৫।আল কোরআনের ১৪০০ বছর পূর্তিতে তাফাক্কুর || আলীয়া ইজ্জেতবেগভিচ ৬। ইমাম আল-মাওয়ার্দি ও তাঁর চিন্তাধারা || প্রফেসর ড: তাহসিন গরগুন ৭। ইবনে খালদুন ও ইলমূল উমরান || প্রফেসর ডঃ তাহসিন গরগুন ৮। পাশ্চাত্য চিন্তার ভিত্তি || প্রফেসর ডঃ তাহসিন গরগুন
Picture of বুরহান উদ্দিন আজাদ

বুরহান উদ্দিন আজাদ

অনুবাদক এবং জ্ঞান ও সভ্যতা বিষয়ক গবেষক বুরহান উদ্দিন আজাদ জামালপুর জেলার সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। দেশসেরা মাদরাসা থেকে আলেম পাশ করার পর উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে তুরস্কে গমন করেন এবং তুরস্কের আঙ্কারা বিশ্ববিদ্যালয়, মিডল ইস্ট টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও আঙ্কারা সোস্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশুনা করেন। তুরস্কে অবস্থানকালে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সাথে সাথে বড় বড় আলেম, স্কলার, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদের সান্নিধ্যে রাজনীতি, অর্থনীতি, দর্শন, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, উসূল ও মাকাসিদসহ আরও অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষালাভের পাশাপাশি Institute of Islamic Thought এবং Economic and Social Researches Center এর মত প্রসিদ্ধ দুইটি প্রতিষ্ঠানে গবেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষার জন্য জার্মানিতে অবস্থান করছেন এবং European Youth Association এর ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ত্ব পালন করছেন। এছাড়াও দেশের উল্লেখযোগ্য দুইটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করছেন। তাঁর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনূদিত গ্রন্থের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা ও ব্লগসাইটে উম্মাহর বিভিন্ন অঞ্চলের আলেম, দার্শনিক ও মুতাফাক্কিরগণের গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধের অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তার অনূদিত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলো হলো; ১। ইসলাম ও জ্ঞান || প্রফেসর ডঃ নাজমুদ্দিন এরবাকান ২। দাওয়াম || প্রফেসর ডঃ নাজমুদ্দিন এরবাকান ৩। ইসলাম শিক্ষা || প্রফেসর ডঃ সাইফুদ্দিন ইয়াজিযি ৪। উসমানী খিলাফতের ইতিহাস || প্রফেসর ডঃ ইহসান সুরাইয়্যা সিরমা ৫। মুসলিম যুবকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য || প্রফেসর ডঃ ইউসুফ আল কারদাভী ৬। Müslüman Lider Nasıl Olmalı || Prof. Gulam Azam (İlk Baskı, 2019) ৭। ইসলামী জ্ঞানে উসূলের ধারা || প্রফেসর ডঃ মেহমেদ গরমেজ (প্রথম প্রকাশ, ২০১৯) ৮। বিশ্বায়নের যুগে ইসলাম উম্মাহ এবং সভ্যতা || প্রফেসর ডঃ মেহমেদ গরমেজ ৯। ইসলামী ডেক্লারেশন || আলীয়া ইজ্জেতবেগভিচ ১০। বিশ্বব্যাপী আখলাকী সংকট || প্রফেসর ডঃ মেহমেদ গরমেজ ১১। সুন্নত ও হাদীস বুঝার মেথডোলজি || প্রফেসর ডঃ মেহমেদ গরমেজ ১২। ইসলামী সভ্যতায় নারী || ড: খাদিজা গরমেজ ১৩। ন্যায়ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা ও নতুন দুনিয়া || প্রফেসর ড: নাজমুদ্দিন এরবাকান (প্রকাশিতব্য) ১৪। জ্ঞানের পুনর্জাগরণ ও মেথডোলজি ¬¬|| প্রফেসর ড: তাহসিন গরগুন (প্রকাশিতব্য) ১৫। রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর শিক্ষাদান পদ্ধতি || ইবরাহীম হালিল আর ১৬। আমাদের সংগ্রামের মূলভিত্তি || প্রফেসর ডঃ নাজমুদ্দিন এরবাকান অনুবাদকৃত বইগুলো রকমারিতে পাওয়া যাবে - (https://www.rokomari.com/book/author/80313/burhan-uddin-azad) তাঁর অনূদিত গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধসসমূহ হলঃ ১।ইবনে খালদুন ও ইলমুল উমরান || প্রফেসর ড: তাহসিন গরগুন ২।শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভী ও উসূল || প্রফেসর ড: মেহমেদ গরমেজ ৩।ইসলামী চিন্তার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ || প্রফেসর ড: উমর তুরকের ৪।আল্লামা ত্বহা আব্দুর রহমানের চিন্তাদর্শন || প্রফেসর ড: মেহমেদ গরমেজ ৫।আল কোরআনের ১৪০০ বছর পূর্তিতে তাফাক্কুর || আলীয়া ইজ্জেতবেগভিচ ৬। ইমাম আল-মাওয়ার্দি ও তাঁর চিন্তাধারা || প্রফেসর ড: তাহসিন গরগুন ৭। ইবনে খালদুন ও ইলমূল উমরান || প্রফেসর ডঃ তাহসিন গরগুন ৮। পাশ্চাত্য চিন্তার ভিত্তি || প্রফেসর ডঃ তাহসিন গরগুন

মতামত প্রকাশ করুন

Scroll to Top