ড. আলী শরীয়তী
ড. আলী শরীয়তী (১৯৩৩-১৯৭৭) মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রভাবশালী চিন্তাবিদ, সমাজবিজ্ঞানী, লেখক এবং বিপ্লবী বুদ্ধিজীবী। ইরানের খোরাসান প্রদেশের মাজিনানে তার জন্ম। তার পিতা মুহাম্মদ তাকী শরীয়তী ছিলেন একজন মুতাফাক্কির ও মুজাদ্দিদ। পারিবারিক পরিবেশেই ইসলামী জ্ঞান, সাহিত্য ও সমাজ-সচেতনতার প্রথম পাঠ গ্রহণ করেন। মাশহাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা লাভের পর তিনি ফ্রান্সে যান এবং প্যারিসের সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস ও দর্শনের ওপর উচ্চতর অধ্যয়ন করেন।
ইউরোপে অবস্থানকালে তিনি উপনিবেশবাদবিরোধী আন্দোলন, অস্তিত্ববাদ, সমাজতত্ত্ব এবং তৃতীয় বিশ্বের মুক্তিসংগ্রামের নানা ধারার সঙ্গে পরিচিত হন। ফ্রানৎস ফ্যানন, জাঁ-পল সার্ত্র ও আলজেরীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অভিজ্ঞতা তার চিন্তার জগৎকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। দেশে ফিরে তিনি ইসলামের ইতিহাস, ইরফানমুখী সংস্কৃতি এবং মুসলিম সমাজের আত্মপরিচয়ের প্রশ্নকে নতুন ভাষায় পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেন।
মাশহাদের হুসাইনিয়্যে ইরশাদে প্রদত্ত তার বক্তৃতাগুলো অল্প সময়েই বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তরুণ প্রজন্মের কাছে ইসলামকে কেবল আচারনির্ভর ধর্ম নয়, বরং ইতিহাস-সচেতন, মুক্তিমুখী ও সামাজিক দায়িত্ববোধসম্পন্ন এক জীবনদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করেন তিনি।
তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে হজ, ফাতিমা ইজ ফাতিমা, শহীদ, ম্যান এন্ড ইসলাম, রেড শিয়িজম অ্যান্ড ব্ল্যাক শিয়িজম বিশেষভাবে সমাদৃত। ইসলামের বিপ্লবী তাৎপর্য, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ঐতিহাসিক দায়িত্ববোধের প্রশ্নে তার রচনা মুসলিম বিশ্বের নতুন প্রজন্মকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছে।
১৯৭৭ সালে ইংল্যান্ডে তার জীবনাবসান ঘটে। ইসলামের সামাজিক তাৎপর্য ও মুসলিম আত্মমুক্তির প্রশ্নে ড. আলী শরীয়তী আজও এক অনিবার্য নাম।
ড. আলী শরীয়তী (১৯৩৩-১৯৭৭) মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রভাবশালী চিন্তাবিদ, সমাজবিজ্ঞানী, লেখক এবং বিপ্লবী বুদ্ধিজীবী। ইরানের খোরাসান প্রদেশের মাজিনানে তার জন্ম। তার পিতা মুহাম্মদ তাকী শরীয়তী ছিলেন একজন মুতাফাক্কির ও মুজাদ্দিদ। পারিবারিক পরিবেশেই ইসলামী জ্ঞান, সাহিত্য ও সমাজ-সচেতনতার প্রথম পাঠ গ্রহণ করেন। মাশহাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা লাভের পর তিনি ফ্রান্সে যান এবং প্যারিসের সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস ও দর্শনের ওপর উচ্চতর অধ্যয়ন করেন।
ইউরোপে অবস্থানকালে তিনি উপনিবেশবাদবিরোধী আন্দোলন, অস্তিত্ববাদ, সমাজতত্ত্ব এবং তৃতীয় বিশ্বের মুক্তিসংগ্রামের নানা ধারার সঙ্গে পরিচিত হন। ফ্রানৎস ফ্যানন, জাঁ-পল সার্ত্র ও আলজেরীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অভিজ্ঞতা তার চিন্তার জগৎকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। দেশে ফিরে তিনি ইসলামের ইতিহাস, ইরফানমুখী সংস্কৃতি এবং মুসলিম সমাজের আত্মপরিচয়ের প্রশ্নকে নতুন ভাষায় পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেন।
মাশহাদের হুসাইনিয়্যে ইরশাদে প্রদত্ত তার বক্তৃতাগুলো অল্প সময়েই বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তরুণ প্রজন্মের কাছে ইসলামকে কেবল আচারনির্ভর ধর্ম নয়, বরং ইতিহাস-সচেতন, মুক্তিমুখী ও সামাজিক দায়িত্ববোধসম্পন্ন এক জীবনদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করেন তিনি।
তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে হজ, ফাতিমা ইজ ফাতিমা, শহীদ, ম্যান এন্ড ইসলাম, রেড শিয়িজম অ্যান্ড ব্ল্যাক শিয়িজম বিশেষভাবে সমাদৃত। ইসলামের বিপ্লবী তাৎপর্য, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ঐতিহাসিক দায়িত্ববোধের প্রশ্নে তার রচনা মুসলিম বিশ্বের নতুন প্রজন্মকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছে।
১৯৭৭ সালে ইংল্যান্ডে তার জীবনাবসান ঘটে। ইসলামের সামাজিক তাৎপর্য ও মুসলিম আত্মমুক্তির প্রশ্নে ড. আলী শরীয়তী আজও এক অনিবার্য নাম।
- All Posts
- আন্তর্জাতিক রাজনীতি
- চিন্তা ও দর্শন
- ফিচারড
- বাংলাদেশ সম্পর্কিত রিপোর্ট ও লেখা
- বিজ্ঞাপন
- ব্যক্তিত্ব
- মুসলিম উম্মাহ
- রাজনীতি ও অর্থনীতি
- সভ্যতা
- সমাজ ও সংস্কৃতি
- সাক্ষাৎকার
- Back
- রাজনীতি
- অর্থনীতি
- Back
- দর্শন
- তাসাউফ ও আধ্যাত্মিকতা
- ইসলামী দর্শন
- উসূল ও মেথডোলজি
- আখলাক ও নন্দনতত্ত্ব
- ইলমুল কালাম
- ইসলামী চিন্তা
- মাকাসিদ আশ শারীয়াহ
- Back
- ইতিহাস
- সমাজবিজ্ঞান
- Back
- বিশ্বব্যাপী ইসলামী আন্দোলন
- উপমহাদেশ
- বায়তুল মাকদিস
- Back
- কৃষি
- বাংলাদেশ
- Back
- বই পর্যালোচনা
- Back
- সংস্কৃতি
- শিল্পকলা
- শহর ও স্থাপত্য
- সিনেমা পর্যালোচনা
- মিউজিক
- সাহিত্য


