আল্লামা ত্বহা আব্দুর রহমান
আল্লামা ত্বহা আব্দুর রহমান (জন্ম ১৯৪৪) সমকালীন মুসলিম উম্মাহর বহুমাত্রিক একজন আলেম, মুতাফাক্কির ও দার্শনিক। তাঁর দার্শনিক সৃষ্টিশীলতা ও চিন্তাগত বহুমাত্রিকতার কারণে চিন্তকেরা তাকে যুগের গাজ্জালী হিসেবে আখ্যায়িত করেন। মরক্কোর আল জাদিদায় জন্মগ্রহণকারী আল্লামা ত্বহা আব্দুর রহমান, রাবাতের মুহাম্মদ পঞ্চম বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন অধ্যয়ন করেন এবং পরবর্তীতে প্যারিসের সোরবোনে উচ্চতর গবেষণা সম্পন্ন করেন। ইসলাম ও পাশ্চাত্য উভয় দার্শনিক ঐতিহ্যের উপর প্রগাঢ় অধিকারের ফলশ্রুতিতে তিনি বিগত অর্ধশতাব্দীর চিন্তাগত জীবনে দ্বীন, আখলাক, দর্শন, রাজনীতি, ফিকহ, ভাষা ও আধুনিকতার মতো বিস্তৃত বিষয়ে ত্রিশটিরও বেশি মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেছেন।
তাঁর চিন্তাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক আসে ১৯৬৭ সালের আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময়। তখন তার বয়স মাত্র তেইশ/চব্বিশ বছর এবং সাহিত্য ও কবিতার প্রতিও ছিল গভীর আগ্রহ। যুদ্ধের বিপর্যয় তাকে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়: দৃশ্যমানভাবে হলেও মুসলমানদের আকলকে বিপর্যস্ত করে এমন আকলের প্রকৃতি কী?, শোষণ ও সাম্রাজ্যবাদের সময়কাল আমাদের জন্য কী বয়ে এনেছে এবং এর মাধ্যমে আমরা কোন অবস্থায় উপনীত হলাম?
এ প্রশ্নগুলোর প্রেক্ষিতে তিনি ‘আমরা কারা এবং আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ‘অপর’ই বা কারা’? তিনি এই আত্মজিজ্ঞাসামূলক প্রশ্নের সম্মুখে দাঁড়ান এবং এই মৌলিক পাঁচটি প্রশ্নকে সামনে রেখেই তিনি তাঁর চিন্তাজগতকে নতুনভাবে বিশ্লেষণ করা শুরু করেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই চিন্তাগত সফরের ভেতর দিয়েই তিনি আল্লামা ত্বহা আব্দুর রহমান হয়ে ওঠেন।
পরবর্তী জীবনে তার প্রায় সমগ্র চিন্তাপ্রকল্পই এসব প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে। এ কারণেই তার রচনাগুলো বিচ্ছিন্ন বিষয়ের ওপর লেখা স্বতন্ত্র গ্রন্থমাত্র নয়; বরং মুসলিম উম্মাহর চিন্তাগত ও আখলাকী পুনর্গঠনের একটি দীর্ঘ ও সুসংবদ্ধ প্রকল্পের অংশ।
ত্বহা আব্দুর রহমানের কাছে মুসলিম সমাজের সংকট নিছক রাজনৈতিক ক্ষমতার সংকট নয়। রাজনৈতিক পরিবর্তনের আগে এবং তার গভীরে প্রয়োজন আকল, আখলাক ও মানুষের রূহানী পরিবর্তন। এ জায়গা থেকেই তিনি মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামী ও সংস্কারবাদী আন্দোলনকে মূল্যায়ন করেছেন এবং শুধু ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির মধ্য দিয়ে উম্মাহর পুনর্জাগরণ সম্ভব কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন। একইসঙ্গে পাশ্চাত্যায়নকে তিনি কেবল বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাব হিসেবে দেখেননি; মুসলিম সমাজের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান, চিন্তাপদ্ধতি ও সভ্যতাগত স্বাতন্ত্র্যকে দুর্বল করে দেওয়া একটি গভীর প্রক্রিয়া হিসেবে বিচার করেছেন। তার কাছে মুক্তির অর্থ তাই পশ্চিমকে প্রত্যাখ্যান করা নয়, বরং নিজস্ব আকল, ভাষা, আখলাক ও ঈমানের ভিত্তিতে স্বাধীনভাবে চিন্তা করার সামর্থ্য ফিরে পাওয়া।
এই অনুসন্ধান থেকেই তার দর্শনে ‘আল ফালসাফাতুত তাদাভুলিয়্যাহ’ এবং বিশেষত ‘আল ফালসাফাতুল ই’তিমানিয়্যাহ’ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তিনি মনে করেন, দর্শন কোনো একটি সভ্যতা বা ভাষার একচেটিয়া সম্পদ নয়। গ্রিক বা আধুনিক ইউরোপীয় ভাষাতেই কেবল দর্শন সম্ভব, এমন ধারণা তিনি প্রত্যাখ্যান করেন এবং আরবীকে স্বতন্ত্র দার্শনিক নির্মাণের অত্যন্ত সমৃদ্ধ ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। একইভাবে ঈমানকে তিনি চিন্তার বিপরীতে স্থাপন করেন না; বরং ঈমান, আকল ও আখলাকের পারস্পরিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন। তার ই’তিমানী দর্শনে ‘আমানত’ মানুষের অস্তিত্ব, জ্ঞান ও কর্মকে বোঝার কেন্দ্রীয় ধারণায় পরিণত হয়। আধুনিকতার নৈতিক সংকটের বিপরীতে আখলাকের নিজস্ব ভিত্তি থেকে একটি বিকল্প দার্শনিক ভাষা নির্মাণই তার দীর্ঘ চিন্তাসাধনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
তার গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে:
• العمل الديني وتجديد العقل
• تجديد المنهج في تقويم التراث
• فقه الفلسفة: الفلسفة والترجمة
• الحق العربي في الاختلاف الفلسفي
• سؤال الأخلاق: مساهمة في النقد الأخلاقي للحداثة الغربية
• روح الحداثة: المدخل إلى تأسيس الحداثة الإسلامية
• روح الدين: من ضيق العلمانية إلى سعة الائتمانية
• بؤس الدهرانية: النقد الائتماني لفصل الأخلاق عن الدين
• دين الحياء
সমকালীন মুসলিম চিন্তায় ত্বহা আব্দুর রহমানের স্বাতন্ত্র্য এখানেই যে, তিনি পশ্চিমা দর্শনের প্রশ্ন ও পরিভাষাকে কেবল ইসলামী ভাষায় অনুবাদ করার চেষ্টা করেননি; বরং মুসলিম উম্মাহর নিজস্ব জ্ঞান, ঈমান, ভাষা ও আখলাকের ভিত থেকে নতুন দার্শনিক প্রশ্ন এবং পরিভাষা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন, এবং এ প্রকল্পকে সামনে রেখে শতশত পরিভাষা তৈরি করেছেন। তার কাছে ইসলামী ঐতিহ্য অতীতের কোনো স্থির স্মারক নয়, আবার আধুনিকতাও অনিবার্যভাবে অনুসরণীয় কোনো চূড়ান্ত মডেল নয়। ঐতিহ্যের গভীরতা ধারণ করে বর্তমানের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো একটি ‘স্বাধীন ও সৃষ্টিশীল মুসলিম আকল নির্মাণ’ই তার প্রকল্পের কেন্দ্র। এই সুবিশাল ও সুসংহত চিন্তাপ্রকল্পের কারণে আল্লামা ত্বহা আব্দুর রহমান বর্তমান মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে স্বতন্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক কণ্ঠগুলোর একজন।
আল্লামা ত্বহা আব্দুর রহমান (জন্ম ১৯৪৪) সমকালীন মুসলিম উম্মাহর বহুমাত্রিক একজন আলেম, মুতাফাক্কির ও দার্শনিক। তাঁর দার্শনিক সৃষ্টিশীলতা ও চিন্তাগত বহুমাত্রিকতার কারণে চিন্তকেরা তাকে যুগের গাজ্জালী হিসেবে আখ্যায়িত করেন। মরক্কোর আল জাদিদায় জন্মগ্রহণকারী আল্লামা ত্বহা আব্দুর রহমান, রাবাতের মুহাম্মদ পঞ্চম বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন অধ্যয়ন করেন এবং পরবর্তীতে প্যারিসের সোরবোনে উচ্চতর গবেষণা সম্পন্ন করেন। ইসলাম ও পাশ্চাত্য উভয় দার্শনিক ঐতিহ্যের উপর প্রগাঢ় অধিকারের ফলশ্রুতিতে তিনি বিগত অর্ধশতাব্দীর চিন্তাগত জীবনে দ্বীন, আখলাক, দর্শন, রাজনীতি, ফিকহ, ভাষা ও আধুনিকতার মতো বিস্তৃত বিষয়ে ত্রিশটিরও বেশি মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেছেন।
তাঁর চিন্তাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক আসে ১৯৬৭ সালের আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময়। তখন তার বয়স মাত্র তেইশ/চব্বিশ বছর এবং সাহিত্য ও কবিতার প্রতিও ছিল গভীর আগ্রহ। যুদ্ধের বিপর্যয় তাকে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়: দৃশ্যমানভাবে হলেও মুসলমানদের আকলকে বিপর্যস্ত করে এমন আকলের প্রকৃতি কী?, শোষণ ও সাম্রাজ্যবাদের সময়কাল আমাদের জন্য কী বয়ে এনেছে এবং এর মাধ্যমে আমরা কোন অবস্থায় উপনীত হলাম?
এ প্রশ্নগুলোর প্রেক্ষিতে তিনি ‘আমরা কারা এবং আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ‘অপর’ই বা কারা’? তিনি এই আত্মজিজ্ঞাসামূলক প্রশ্নের সম্মুখে দাঁড়ান এবং এই মৌলিক পাঁচটি প্রশ্নকে সামনে রেখেই তিনি তাঁর চিন্তাজগতকে নতুনভাবে বিশ্লেষণ করা শুরু করেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই চিন্তাগত সফরের ভেতর দিয়েই তিনি আল্লামা ত্বহা আব্দুর রহমান হয়ে ওঠেন।
পরবর্তী জীবনে তার প্রায় সমগ্র চিন্তাপ্রকল্পই এসব প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে। এ কারণেই তার রচনাগুলো বিচ্ছিন্ন বিষয়ের ওপর লেখা স্বতন্ত্র গ্রন্থমাত্র নয়; বরং মুসলিম উম্মাহর চিন্তাগত ও আখলাকী পুনর্গঠনের একটি দীর্ঘ ও সুসংবদ্ধ প্রকল্পের অংশ।
ত্বহা আব্দুর রহমানের কাছে মুসলিম সমাজের সংকট নিছক রাজনৈতিক ক্ষমতার সংকট নয়। রাজনৈতিক পরিবর্তনের আগে এবং তার গভীরে প্রয়োজন আকল, আখলাক ও মানুষের রূহানী পরিবর্তন। এ জায়গা থেকেই তিনি মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামী ও সংস্কারবাদী আন্দোলনকে মূল্যায়ন করেছেন এবং শুধু ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির মধ্য দিয়ে উম্মাহর পুনর্জাগরণ সম্ভব কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন। একইসঙ্গে পাশ্চাত্যায়নকে তিনি কেবল বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাব হিসেবে দেখেননি; মুসলিম সমাজের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান, চিন্তাপদ্ধতি ও সভ্যতাগত স্বাতন্ত্র্যকে দুর্বল করে দেওয়া একটি গভীর প্রক্রিয়া হিসেবে বিচার করেছেন। তার কাছে মুক্তির অর্থ তাই পশ্চিমকে প্রত্যাখ্যান করা নয়, বরং নিজস্ব আকল, ভাষা, আখলাক ও ঈমানের ভিত্তিতে স্বাধীনভাবে চিন্তা করার সামর্থ্য ফিরে পাওয়া।
এই অনুসন্ধান থেকেই তার দর্শনে ‘আল ফালসাফাতুত তাদাভুলিয়্যাহ’ এবং বিশেষত ‘আল ফালসাফাতুল ই’তিমানিয়্যাহ’ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তিনি মনে করেন, দর্শন কোনো একটি সভ্যতা বা ভাষার একচেটিয়া সম্পদ নয়। গ্রিক বা আধুনিক ইউরোপীয় ভাষাতেই কেবল দর্শন সম্ভব, এমন ধারণা তিনি প্রত্যাখ্যান করেন এবং আরবীকে স্বতন্ত্র দার্শনিক নির্মাণের অত্যন্ত সমৃদ্ধ ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। একইভাবে ঈমানকে তিনি চিন্তার বিপরীতে স্থাপন করেন না; বরং ঈমান, আকল ও আখলাকের পারস্পরিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন। তার ই’তিমানী দর্শনে ‘আমানত’ মানুষের অস্তিত্ব, জ্ঞান ও কর্মকে বোঝার কেন্দ্রীয় ধারণায় পরিণত হয়। আধুনিকতার নৈতিক সংকটের বিপরীতে আখলাকের নিজস্ব ভিত্তি থেকে একটি বিকল্প দার্শনিক ভাষা নির্মাণই তার দীর্ঘ চিন্তাসাধনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
তার গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে:
• العمل الديني وتجديد العقل
• تجديد المنهج في تقويم التراث
• فقه الفلسفة: الفلسفة والترجمة
• الحق العربي في الاختلاف الفلسفي
• سؤال الأخلاق: مساهمة في النقد الأخلاقي للحداثة الغربية
• روح الحداثة: المدخل إلى تأسيس الحداثة الإسلامية
• روح الدين: من ضيق العلمانية إلى سعة الائتمانية
• بؤس الدهرانية: النقد الائتماني لفصل الأخلاق عن الدين
• دين الحياء
সমকালীন মুসলিম চিন্তায় ত্বহা আব্দুর রহমানের স্বাতন্ত্র্য এখানেই যে, তিনি পশ্চিমা দর্শনের প্রশ্ন ও পরিভাষাকে কেবল ইসলামী ভাষায় অনুবাদ করার চেষ্টা করেননি; বরং মুসলিম উম্মাহর নিজস্ব জ্ঞান, ঈমান, ভাষা ও আখলাকের ভিত থেকে নতুন দার্শনিক প্রশ্ন এবং পরিভাষা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন, এবং এ প্রকল্পকে সামনে রেখে শতশত পরিভাষা তৈরি করেছেন। তার কাছে ইসলামী ঐতিহ্য অতীতের কোনো স্থির স্মারক নয়, আবার আধুনিকতাও অনিবার্যভাবে অনুসরণীয় কোনো চূড়ান্ত মডেল নয়। ঐতিহ্যের গভীরতা ধারণ করে বর্তমানের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো একটি ‘স্বাধীন ও সৃষ্টিশীল মুসলিম আকল নির্মাণ’ই তার প্রকল্পের কেন্দ্র। এই সুবিশাল ও সুসংহত চিন্তাপ্রকল্পের কারণে আল্লামা ত্বহা আব্দুর রহমান বর্তমান মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে স্বতন্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক কণ্ঠগুলোর একজন।
- All Posts
- চিন্তা ও দর্শন
- ফিচারড
- বাংলাদেশ সম্পর্কিত রিপোর্ট ও লেখা
- বিজ্ঞাপন
- ব্যক্তিত্ব
- মুসলিম উম্মাহ
- রাজনীতি ও অর্থনীতি
- সভ্যতা
- সাক্ষাৎকার
- Back
- রাজনীতি
- অর্থনীতি
- আন্তর্জাতিক রাজনীতি
- Back
- দর্শন
- তাসাউফ ও আধ্যাত্মিকতা
- ইসলামী দর্শন
- উসূল ও মেথডোলজি
- আখলাক ও নন্দনতত্ত্ব
- ইলমুল কালাম
- ইসলামী চিন্তা
- মাকাসিদ আশ শারীয়াহ
- Back
- ইতিহাস
- সমাজবিজ্ঞান
- সমাজ ও সংস্কৃতি
- সংস্কৃতি
- শিল্পকলা
- শহর ও স্থাপত্য
- সিনেমা পর্যালোচনা
- মিউজিক
- সাহিত্য
- Back
- বিশ্বব্যাপী ইসলামী আন্দোলন
- উপমহাদেশ
- বায়তুল মাকদিস
- Back
- কৃষি
- বাংলাদেশ
- Back
- বই পর্যালোচনা
- Back
- সংস্কৃতি
- শিল্পকলা
- শহর ও স্থাপত্য
- সিনেমা পর্যালোচনা
- মিউজিক
- সাহিত্য

