ড. নূরুল আমিন
বাংলাদেশের অন্যতম অর্থনীতিবিদ, শিক্ষক, ইসলামী চিন্তাবিদ ও প্রথিতযশা সাংবাদিক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নূরুল আমিন।
প্রাতিষ্ঠানিক জীবনে তিনি অনন্য প্রতিভাধর ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা এবং পরবর্তীতে সাংবাদিকতায় মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। অতঃপর ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি বৃটিশ কাউন্সিলের বৃত্তি নিয়ে ইংল্যান্ডের ইস্ট এংলিয়া ও লাভ ব্যুরো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যথাক্রমে উন্নয়ন অর্থনীতিতে মাস্টার্স ও কো-অপারেটিভ স্টাডিজ (উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা)-এ ডিপ্লোমা ডিগ্রি লাভ করেন। এ দুটি অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য তিনি ‘জন এ্যাকট’ পুরস্কারে ভূষিত হন। এরপর তিনি ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মানব সম্পদ উন্নয়ন ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন।
১৯৬৮ সালে তিনি তৎকালীন কায়েদে আজম কলেজের (বর্তমানে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ) বাণিজ্য বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। একই সাথে তিনি অধুনালুপ্ত দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার প্রথমে অর্থনৈতিক রিপোর্টার ও পরে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পরে তিনি সরকারি চাকুরীতে যোগ দেন এবং ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা ও বিভাগে বিভিন্ন পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন কমপ্লেক্সের প্রথম পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পল্লী উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহা-পরিচালকের দায়িত্ব পালন অবস্থায় ২০০৪ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
তুরস্কের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী প্রফেসর ড. নাজমুদ্দিন এরবাকান প্রতিষ্ঠিত ‘ডি-৮’ এর ইন্টার মিনিস্টারিয়াল স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক মনোনীত হন তিনি। জিও-এনজিও কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের (GNCC) বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্বরত ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইসলামিক এইড বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান, ইসলামিক ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর জেনারেল সেক্রেটারী ও ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর রিলিফ এন্ড ডেভেলপমেন্ট, মালয়েশিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ড. মোহাম্মদ নূরুল আমিন স্যার যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, চীন, শ্রীলংকা, আরব আমিরাতসহ বিশ্বের ১৬টি দেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও তিনি বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন এবং সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।
তার লিখিত ও অনূদিত গ্রন্থের সংখ্যা ১১ টি। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে শতাধিক প্রবন্ধ রচনার পাশাপাশি এদেশের অর্থনৈতিক চিন্তার উপর সবচেয়ে বেশি কাজ যারা করেছেন, স্যার তাদের মধ্যে অন্যতম। রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন দায়িত্ব পালনকালে বাংলার কৃষি উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ ও নানাবিধ উউন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন তিনি।
এছাড়াও তিনি বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা, ত্রৈমাসিক মিহওয়ার ও রোয়াক ব্লগে নিয়মিত লেখালেখি করে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশের অন্যতম অর্থনীতিবিদ, শিক্ষক, ইসলামী চিন্তাবিদ ও প্রথিতযশা সাংবাদিক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নূরুল আমিন।
প্রাতিষ্ঠানিক জীবনে তিনি অনন্য প্রতিভাধর ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা এবং পরবর্তীতে সাংবাদিকতায় মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। অতঃপর ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি বৃটিশ কাউন্সিলের বৃত্তি নিয়ে ইংল্যান্ডের ইস্ট এংলিয়া ও লাভ ব্যুরো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যথাক্রমে উন্নয়ন অর্থনীতিতে মাস্টার্স ও কো-অপারেটিভ স্টাডিজ (উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা)-এ ডিপ্লোমা ডিগ্রি লাভ করেন। এ দুটি অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য তিনি ‘জন এ্যাকট’ পুরস্কারে ভূষিত হন। এরপর তিনি ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মানব সম্পদ উন্নয়ন ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন।
১৯৬৮ সালে তিনি তৎকালীন কায়েদে আজম কলেজের (বর্তমানে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ) বাণিজ্য বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। একই সাথে তিনি অধুনালুপ্ত দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার প্রথমে অর্থনৈতিক রিপোর্টার ও পরে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পরে তিনি সরকারি চাকুরীতে যোগ দেন এবং ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা ও বিভাগে বিভিন্ন পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন কমপ্লেক্সের প্রথম পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পল্লী উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহা-পরিচালকের দায়িত্ব পালন অবস্থায় ২০০৪ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
তুরস্কের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী প্রফেসর ড. নাজমুদ্দিন এরবাকান প্রতিষ্ঠিত ‘ডি-৮’ এর ইন্টার মিনিস্টারিয়াল স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক মনোনীত হন তিনি। জিও-এনজিও কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের (GNCC) বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্বরত ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইসলামিক এইড বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান, ইসলামিক ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর জেনারেল সেক্রেটারী ও ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর রিলিফ এন্ড ডেভেলপমেন্ট, মালয়েশিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ড. মোহাম্মদ নূরুল আমিন স্যার যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, চীন, শ্রীলংকা, আরব আমিরাতসহ বিশ্বের ১৬টি দেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও তিনি বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন এবং সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।
তার লিখিত ও অনূদিত গ্রন্থের সংখ্যা ১১ টি। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে শতাধিক প্রবন্ধ রচনার পাশাপাশি এদেশের অর্থনৈতিক চিন্তার উপর সবচেয়ে বেশি কাজ যারা করেছেন, স্যার তাদের মধ্যে অন্যতম। রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন দায়িত্ব পালনকালে বাংলার কৃষি উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ ও নানাবিধ উউন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন তিনি।
এছাড়াও তিনি বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা, ত্রৈমাসিক মিহওয়ার ও রোয়াক ব্লগে নিয়মিত লেখালেখি করে যাচ্ছেন।
- All Posts
- আন্তর্জাতিক রাজনীতি
- চিন্তা ও দর্শন
- ফিচারড
- বাংলাদেশ সম্পর্কিত রিপোর্ট ও লেখা
- বিজ্ঞাপন
- ব্যক্তিত্ব
- মুসলিম উম্মাহ
- রাজনীতি ও অর্থনীতি
- সভ্যতা
- সমাজ ও সংস্কৃতি
- সাক্ষাৎকার
- Back
- রাজনীতি
- অর্থনীতি
- Back
- দর্শন
- তাসাউফ ও আধ্যাত্মিকতা
- ইসলামী দর্শন
- উসূল ও মেথডোলজি
- আখলাক ও নন্দনতত্ত্ব
- ইলমুল কালাম
- ইসলামী চিন্তা
- মাকাসিদ আশ শারীয়াহ
- Back
- ইতিহাস
- সমাজবিজ্ঞান
- Back
- বিশ্বব্যাপী ইসলামী আন্দোলন
- উপমহাদেশ
- বায়তুল মাকদিস
- Back
- কৃষি
- বাংলাদেশ
- Back
- বই পর্যালোচনা
- Back
- সংস্কৃতি
- শিল্পকলা
- শহর ও স্থাপত্য
- সিনেমা পর্যালোচনা
- মিউজিক
- সাহিত্য


