শবে মেরাজ ইসলামের ইতিহাসে যেমন গুরুত্বপুর্ণ একটি ঘটনা, তেমনি বাঙ্গালী মুসলমানের সংস্কৃতিতে এটি হয়ে আছে তাৎপর্যপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ। এই অঞ্চলে মুসলমানদের আগমনের পর থেকেই ঘটা করে পালন হয়ে আসছে এই দিবসটি। দরবার ও খানকাগুলোতে হেদায়াতি তা’লিম, জিকিরের মজলিস শেষে একসাথে তবারক গ্রহণ, ঘরে ঘরে হালুয়া-রুটি তৈরির মাধ্যমে উদযাপনের এক নান্দনিক সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে এই শবে মেরাজের।
শবে মেরাজের জলসাতে এসে এই রজনীতে কী ঘটেছিল, কীভাবে রাসূল নিজ ঘর থেকে ইসরা (রাত্রিকালীন ভ্রমণ) করে মসজিদে আকসায় গেলেন, সেখান থেকে উর্ধ্ব গগণে আরোহনের মাধ্যমে কীভাবে মেরাজ সংঘটিত হয় – এসব কাহিনী শুনেন নি এমন ব্যক্তি বোধহয় বাঙ্গালী মুসলিম সমাজে খুঁজে পাওয়া মুশকিল।
তবু, মুসলিম উম্মাহর এই চরম ক্রান্তিলগ্নে এসে – যখন তাবৎ দুনিয়া মুসলিমদেরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে, জ্ঞান-গরিমা-চিন্তায় মুসলিমদের নিদারুণ দৈন্যদশা লক্ষণীয়, প্রথম কেবলা বায়তুল মাকদিস ইতিহাসের মুতলাক শার ইসরায়েলীদের দ্বারা লুন্ঠিত – তখন শবে মেরাজের প্রেক্ষাপট, ঘটনাপ্রবাহ, মাকসাদ ও এর তাৎপর্য নতুন করে চিন্তা করার দাবি নিশ্চয় অমূলক নয়। সেই গরজেই শবে মেরাজকে নিয়ে আমাদের ভাবনাকে আরেকটু শাণিত করার এই চেষ্টা-
আশা ও নিরাপত্তার ভূমি রূপে বায়তুল মাকদিস
ইসরা ও মেরাজের সময়টা একটু মানস্পটে অঙ্কিত করা যাক। নবুয়তপ্রাপ্তির পর থেকে বটবৃক্ষের মতো ছায়া প্রদানকারী রাসূল ﷺ এর চাচা আবু তালিবের মৃত্যুর ক্ষণ গড়াতে না গড়াতেই জীবনসঙ্গিনী খাদিজার-ও (রা.) জীবনাবসান ঘটলো। ছায়াপ্রদানকারী চাচা কিংবা সুখ-দুঃখের নিত্যকার সঙ্গী আপনজন আর কেউ রইলো না। সেই সময়ে রাসূলের ﷺ দুর্বিসহ অবস্থার কথা কল্পনা করুন তো! সীরাতের পাতায় তাইতো এই সময়টাকে “আমুল হুযুন” তথা দুঃখের বছর বলে অভিহিত করা হয়েছে।
আর ঠিক সেই সময়েই আসমানী পয়গাম এলো ইসরার। শত দুঃখ ঝঞ্ঝাট অতিক্রান্ত করে মরুভূমির তৃষ্ণার্ত পথিকের দিশা পাওয়া একফোঁটা বারির মতো আশার ঝিলিক হয়ে আসে ইসরার রজনী। বায়তুল মাকদিসে ভ্রমণ করালেন রব তার প্রিয় হাবিবকে ﷺ। আর এটি পরিণত হলো আশা ও নিরাপত্তার ভূমিতে।
যেমনটা হয়েছিল ঠিক মুসলিম মিল্লাতের পিতা ইবরাহীম (আ.) এর জন্যও। নবুয়তী দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে স্বজাতির নিকট নির্মম জুলুমের স্বীকার হয়ে হিজরত করতে বাধ্য হন বায়তুল মাকদিসে। কুরআনে সেই ঘটনা বর্ণিত হয়েছে এভাবে-
﴿قُلْنَا يَا نَارُ كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ﴾﴿وَأَرَادُوا بِهِ كَيْدًا فَجَعَلْنَاهُمُ الْأَخْسَرِينَ﴾﴿وَنَجَّيْنَاهُ وَلُوطًا إِلَى الْأَرْضِ الَّتِي بَارَكْنَا فِيهَا لِلْعَالَمِينَ﴾
অর্থাৎ, “আমি বললাম, ‘হে আগুন! তুমি ইব্রাহীমের জন্য শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও। তারা তার সাথে চক্রান্ত করার ইচ্ছা করেছিল; কিন্ত আমি তাদেরকে করে দিলাম সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত। আমি তাঁকে ও লূতকে উদ্ধার করে এমন এক ভূমিতে পৌঁছিয়ে দিলাম, যেখানে আমি বিশ্ববাসীর জন্য বরকতময় করে রেখেছি।“ (সূরা আম্বিয়া: ৬৯-৭১)
এভাবে ইবরাহীম (আ) এর জন্য আশা-ভরসার স্থলে পরিণত হয় বায়তুল মাকদিস। আর যা পুনরায় এসে প্রতিষ্ঠিত হয় রাসূলের ﷺ ইসরার মাধ্যমে। ইসরা রাসূল কে যেমন একটি আশা ও নিরাপত্তার সঞ্চার করে, তেমনি মুসলমানদের মনোজগতেও এর প্রভাব বিস্তার করে প্রবল।
মেরাজে রাসূল
বায়তুল মাকদিস থেকে উর্ধ্বারোহণ করিয়ে রাসূলকে ﷺ নিয়ে যাওয়া হয় বায়তুল মা’মুরে। যেখানে সাক্ষাৎ হয় আদম (আ.), ঈসা (আ.), ইয়াহইয়া (আ.), ইউসুফ (আ.), ইদরীস (আ.), হারুন (আ.), মুসা (আ.) ও ইবরাহীম (আ.) এর সাথে।
নবীগণের সাথে এই মোলাকাত কী তাৎপর্য বহন করে? এর মাধ্যমে মূলত রাসূলে আকরাম ﷺ এর সাথে পুর্ববর্তী নবীদের সম্পর্ক আরও দৃঢ়তর হয়। আরেকটি দিক থেকে, জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহুর্তে এসে – যখন ব্যক্তিগত জীবন ভয়াবহ পর্যদুস্ত, দাওয়াতি কাজে ন্যুন্যতম আশার আলো নেই, একে একে সকল জাতি অস্বীকার করছে তাওহীদ-রেসালাত-আখেরাতের আহবানকে – তখন নবীদের সাথে এই সাক্ষাৎ নতুন করে আশার সঞ্চার করে মানুষ মুহাম্মদ ﷺ এর মনোজগতে। কেননা, এই সকল নবী-রাসূলগণও তাদের নবুয়তী জিন্দেগীতে এমন ক্রান্তিকাল অতিক্রাম করেছেন। স্বজাতির নিকট অপদস্ত এমনকি হত্যার স্বীকারও হয়েছিলেন অনেকেই। তারা একেকজন সংগ্রাম করেছিলেন একেক প্রকার জুলুমের বিরুদ্ধে। কেউ মানুষকে রক্ষার বদলে তার উপর প্রভুত্ব কায়েমের বিরোধিতা করে, কেউ অর্থনৈতিক জুলুমের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে, কেউ তার যুগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে পার করেছেন সারাটি জীবন। আর রাসূলে আকরাম যেহেতু একইসাথে সকল প্রকার জুলুমের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছিলেন, তাই পুর্বসুরীদের সাথে এই সাক্ষাৎ তার দাওয়াতি কাজে নতুন উদ্দীপনা জোগায়।
বরকতময় ভূমি রূপে বায়তুল মাকদিস
আল্লাহর ঘোষণা অনুযায়ী এটি কেবল ইবরাহীম (আ) কিংবা তার জাতির জন্যই নয়, বরং পুরো বিশ্ববাসীর জন্য বরকতময় ভূমি। পবিত্র কুরআনের সূরা আম্বিয়ার ৭১ নং আয়াতে বায়তুল মাকদিসকে পূর্ববর্তী জাতিসমূহের বরকতের ভূমি হিসেবে সম্বোধিত করা হলেও উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য বরকতময় ভূমি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় সূরা ইসরার ১ম আয়াতে। রাব্বে কারীম ইরশাদ করেন,
سُبۡحٰنَ الَّذِیۡۤ اَسۡرٰی بِعَبۡدِہٖ لَیۡلًا مِّنَ الۡمَسۡجِدِ الۡحَرَامِ اِلَی الۡمَسۡجِدِ الۡاَقۡصَا الَّذِیۡ بٰرَکۡنَا حَوۡلَہٗ لِنُرِیَہٗ مِنۡ اٰیٰتِنَا ؕ اِنَّہٗ ہُوَ السَّمِیۡعُ الۡبَصِیۡرُ –
“পবিত্র মহান সে সত্তা, যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত, যার চারপাশকে আমি বরকতময় করেছি। (ভ্রমণের উদ্দেশ্য ছিল) যেন আমি তাকে আমার নিদর্শনসমূহ দেখাতে পারি। তিনিই (আল্লাহ) সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।”
শবে মেরাজ ও বায়তুল মাকদিসের আধ্যাত্মিক ও ঈমানী গুরুত্ব
রাসূলে পাকের ﷺ ইসরা ও মেরাজের কারণে বায়তুল মাকদিসের সাথে মুসলিমদের এক রুহানী বন্ধনের উন্মেষ ঘটে। নবীর পদধুলীতে ধন্য যে ভূমি, আম্বিয়ায়ে কেরামগণের ইমাম হলেন নবী যেই স্থানে, সেই স্থানের প্রতি তো অবশ্যই এক অকৃত্রিম আধ্যাত্মিক আবেশ কাজ করবেই!
সাহাবীগণ সেই সময় থেকে বায়তুল মাকদিস যিয়ারতের ইরাদা পোষণ করতেন হৃদয়ের গভীরে। আলাপ-আলোচনার বিষয়বস্তুতেও বায়তুল মাকদিস দখল করে নেয় অনভিপ্রেত এক স্থান। আর কাফেররা যখন খায়েশের পূজোয় নিমজ্জিত হয়ে ইসরা ও মেরাজকে অস্বীকার করলো, তখন ঈমানিয়্যাতের দাবিতে বলীয়ান মুমিন সাহাবীগণ অকপটে বিশ্বাস করে নিলেন ইহা। এভাবেই বায়তুল মাকদিস রুহানিয়্যাত ও ঈমানিয়্যাতের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিগণিত হয়।
শবে মেরাজ ও বায়তুল মাকদিসের রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক গুরুত্ব
গোটা দুনিয়ার এত এত স্থান থাকতেও কেন আল্লাহ তা’য়ালা তাঁর রাসূলকে ﷺ বায়তুল মাকদিসেই ভ্রমণ করালেন?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে অনেক রকম ব্যাখ্যা হাজির হবে। এসবের মাঝে যদি শুধুমাত্র বিশ্বমানচিত্রে বায়তুল মাকদিসের অবস্থানের দিকেও লক্ষ্য করা যায় তাহলে পরিলক্ষিত হবে যে, এই স্থানের ভ্রমণের কারণটা কী ছিল আর বায়তুল মাকদিসের রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক গুরুত্ব কতটা বেশি।
এর ভৌগোলিক গুরুত্বের বিবেচনায় বলা হয়ে থাকে যে,
–যারাই এই অঞ্চলকে নিয়ন্ত্রণ করবে, তারাই গোটা দুনিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করবে।
–এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার মানে হলো পুরো পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
–বায়তুল মাকদিস হচ্ছে মুসলমানদের জাতিগত অবস্থার আয়নাস্বরুপ।
বাস্তবেও তাই। ইতিহাসের ধুসর পাতাগুলোতে নজর বুলালে এটাই দেখা যাবে যে, যখনই বায়তুল মাকদিস মুসলিমদের ছাড়া অন্য কারও হস্তগত হয়েছে, তখনই রক্তাক্ত ইতিহাসের উপাখ্যান রচিত হয়েছে। কলঙ্কিত হয়েছে বিশ্বসভ্যতার ইতিহাস। আর মুসলিমরাও বিশ্বদরবারে উচ্চশীরে ঠাঁই দাঁড়িয়ে ছিলো ততদিন, যতদিন বায়তুল মাকদিস মুসলিমদের আমানতে ছিলো।
মূলত, বায়তুল মাকদিস মুসলিমদের জন্য এই রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক দিক থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ববহ হয়ে উঠে মূলত শবে মেরাজের ইসরার মাধ্যমেই।
উম্মাহ ধারণার প্রতিচ্ছবির পরিস্ফুটন
ইসরা ও মেরাজ যখন সংঘটিত হয়, তখনও তো ইসলামের কোনো রাষ্ট্র কিংবা সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। জাজিরাতুল আরব বা তার পার্শ্ববর্তী কিছু অঞ্চলের ঈমানগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গই তখন মুসলমানদের অঘোষিত সমাজের অংশ।
কিন্তু বায়তুল মাকদিসে সংঘটিত ইসরা মুসলিমদের মনে নতুন এক আশার দুয়ার খুলে দেয়। নির্দিষ্ট গণ্ডির বাইরেও যে এই অঘোষিত সমাজের বিস্তৃতি হতে পারে বা সম্পর্ক থাকতে পারে, তা হৃদয়ে গেঁথে যায় ইসরার মাধ্যমে। মুসলিমরা তখন থেকেই বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত এক উম্মাহ হওয়ার স্বপ্নের বীজ বুনতে শুরু করে হৃদ-মাজারে।
নবজাগরণের ভূমি বায়তুল মাকদিস
আর এক পর্যায়ে এই প্রোথিত স্বপ্নের বীজই অঙ্কুরিত হয়ে মহীরুহ ধারণ করে খুলে দেয় নবজাগরণের দুয়ার। তখন থেকেই বায়তুল মাকদিসকে গভীরভাবে হৃদয়ে লালন করতে শুরু করে মুসলিমরা। এমনকি ড. আব্দুল ফাত্তাহ আল-ওয়াইসীর ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী ওমর (রা.) এর মাকদিস বিজয়ের পূর্ব সময় পর্যন্ত সংঘটিত সকল সামরিক কিংবা কুটনৈতিক পদক্ষেপের মাকসাদ ছিলো বায়তুল মাকদিস অভিমূখী। তিনি বিশ্লেষণ করে দেখান যে, রাসূল (স.) এর জীবদ্দশায়ও যেসকল গাজওয়া কিংবা সারিয়্যাহ সংঘটিত হয়, এক অর্থে বলা যায় যে প্রায় সবকটিই ছিলো বায়তুল মাকদিস মুক্তকরণের প্রাথমিক পদক্ষেপস্বরুপ। রাসূলের ﷺ নির্দেশে উসামা বিন যায়েদের নেতৃত্বে প্রেরিত সর্বশেষ অভিযানও তাই প্রমাণ করে।
একপর্যায়ে সেই স্বপ্ন, কার্যকলাপ ও সকল প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হয় ওমর (রা.) এর বায়তুল মাকদিস বিজয়ের মাধ্যমে। তখন থেকে মুসলিমরা বিশ্বদরবারে এক অনন্য অবস্থানে পৌঁছাতে শুরু করে। বায়তুল মাকদিসকে বিশ্বমানবতার সকলের জন্য নিরাপদ ভূমিতে পরিণত করে। বিশ্বশান্তির সূতিকাগারে পরিণত হয় বায়তুল মাকদিস।
হাল আমলের তাবৎ মানবতার মুক্তি ও বায়তুল মাকদিস
কিন্তু আজ সেই বরকতময় ভূমি, আশা ও নিরাপত্তার স্থান দখলদারদের হাতে লুন্ঠিত। তাই তো মানবতাও আজ ডুকরে ডুকরে কাঁদছে মুক্তির ক্ষণ গুণতে গুণতে। কিন্তু কোথায় সেই মুক্তি! কোথায় সেই আশার প্রদীপ!
রাসূলের ﷺ দুর্বিসহ দিনগুলোতে ইসরার মাধ্যমে আলোকবর্তিকারুপে যেমন আবির্ভূত হয়েছিল বায়তুল মাকদিস, আজও কি তা সেই অবস্থানে পুনরাবর্তিত হতে পারবে না! আবারও কি বিশ্বমানবতার মুক্তির মারকাজ হয়ে উঠবে না এই পবিত্র ভূমি! বরকতের সেই পেয়ালা থেকে অমীয় সুধা পান করে তৃষিত মানবতা কি পুনরায় জীবন্ত হয়ে উঠবে না!
আমাদের ইয়াক্বীন, অবশ্যই তা হবে। আবার চিরসজীব হয়ে উঠবে এই ভূমির জয়তুন গাছ। মসজিদে কেবলার ইট-সুরকীগুলো নিঃশ্বাস ফেলবে মুক্ত বাতাসে। গম্বুজে হাদরা আবার মুক্তির পায়রার একটুখানি বিশ্রামের জন্য উন্মুক্ত করে দিবে নিজেকে।
সেই মুক্তির স্বাদ আস্বাদনের শপথ নেয়ার রজনী হোক তবে এই শবে মেরাজ!
তথ্য ও চিন্তাঋণঃ
১। মসজিদে আকসাকে মুক্ত করার কৌশলগত পরিকল্পনা, প্রফেসর ড. আব্দুল ফাত্তাহ আল ওয়াইসী।
২। দ্বীন ও সভ্যতার দৃষ্টিকোণ থেকে বায়তুল মাকদিস, প্রফেসর ড. মেহমেদ গরমেজ।


