দর্শন

দর্শন অনেকটা রাজনীতির মতো। রাজনীতি ভালো বা খারাপ হতে পারে, কিন্তু কোনো সমাজ রাজনীতি ছাড়া চলতে পারে না। একইভাবে, দর্শন ছাড়া কেউ চলতে পারে না। সচেতন বা অবচেতন যেভাবেই হোক, নারী পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেকেরই—জীবন, কাজ, নীতি, চিন্তা, কী ভালো, কী খারাপ, কী সত্য, কী মিথ্যা, কী সুন্দর, কী কুৎসিত, এসব নিয়ে একটা দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকে।

আরও দেখুনকম দেখুন

এ জন্য দর্শন ছাড়া চলা অসম্ভব।

আজ পশ্চিম থেকে নানা ধরনের “ইজম” সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো একের পর এক আমাদের উপকূলে এসে আছড়ে পড়ছে যেমনঃ র‍্যাশনালিজম, এম্পিরিসিজম, হিউম্যানিজম, ইভল্যুশনিজম ; সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে লিবারেলিজম, সোশ্যালিজম, ন্যাশনালিজম, জ্ঞানতাত্ত্বিক যায়গায় সায়েন্টিজম। চতুর্দিকে ভেসে বেড়ানো এই ইজমগুলো আমাদের মন ও চিন্তাকে নানা মাত্রায় প্রভাবিত করছে। মুসলিম হিসেবে আমরা আমাদের আকল দিয়ে এই বিষয়গুলোকে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবিনি। এটি সহজ কাজ নয়, তবে অসম্ভবও নয়। একটি অনন্য সভ্যতা হিসেবে ইসলামের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে আমরা কতটা ইসলামী কায়দায় ও স্পষ্টভাবে ভাবতে পারি তার উপর।

এজন্য সবার আগে আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ধারাকে পুনর্জাগরিত করতে হবে। প্রতিটি বিষয়ের, প্রতিটি শাখার মধ্যেই একটি দার্শনিক দিক রয়েছে। আমাদের সমগ্র বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্যকে পুনরায় ইহইয়া বা পুনর্জাগরিত করা যায়, তবে তা আমাদের জন্য এমন একটি কাঠামো দেবে, যার মধ্যে আমরা আধুনিক জ্ঞানের শাখাগুলোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব। দর্শনের ক্ষেত্রে এই দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখেই রোয়াক ব্লগ কাজ করে যাচ্ছে।

১টি লেখা
দর্শন

শ্বেতাংগ দর্শনের মূল কথা

ইংরেজ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল বলেছেন যে শ্বেতাংগদের প্রতিপত্তির যুগ শেষ হয়ে গেছে। শ্বেতাংগ জাতিগুলো অনির্দিষ্ট কালের জন্য তাদের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখতে পারে না। কারণ এটা স্বাভাবিক নিয়মের খেলাফ। রাসেল বিশ্বাস করতেন যে বিগত চার শতকের মতো সুখের সময় শ্বেতাংগদের জন্যে…

অনুদান দিন
Scroll to Top