মিউজিক

শব্দ ও সুরের জগৎ মানব-ফিতরাতের সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ইতিহাসের প্রতিটি সভ্যতাতেই সংগীত মানুষের আবেগ, সংস্কৃতি ও জীবনদর্শনের প্রকাশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

আরও দেখুনকম দেখুন

কোরআন তিলাওয়াতের তারতীল থেকে শুরু করে আজান কিংবা হামদ-নাতের ঐতিহ্য — ইসলামী সভ্যতায় সুর ও ছন্দের একটি স্বতন্ত্র নান্দনিক পরিমণ্ডল সবসময়ই বিদ্যমান ছিলো। সংগীত নিয়ে ফিকহী দৃষ্টিকোণ থেকে বিভিন্ন মতপার্থক্য থাকলেও, শব্দ-নান্দনিকতা ও তার মানব-মনস্তত্ত্বে প্রভাব নিয়ে চিন্তা করাটা ইসলামী নন্দনতত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সংগীত তাই কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; বরং এটি মানুষের মনোজগৎ, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক পরিচয় নির্মাণেও প্রভাব বিস্তার করে। আজকের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি এমন এক ভোগবাদী ও প্রায়শই মূল্যবোধ-বিরোধী সংস্কৃতির বাহক হয়ে উঠেছে, যা মানুষের রুচি ও অন্তর্জগতকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে। এই বাস্তবতায় সুর ও শব্দশিল্পকে আদব, আখলাক, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার আলোকে বোঝার প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি করে অনুভূত হচ্ছে।

ফিকহী মতভেদের সীমানা মেনেই সুর ও শব্দশিল্পের ঐতিহাসিক ও নান্দনিক দিকগুলো নিয়ে চিন্তাশীল আলোচনার একটি ক্ষেত্র তৈরির প্রচেষ্টা ‘মিউজিক’ বিভাগের মাধ্যমে রোয়াক ব্লগ চালিয়ে যাবে।

২টি লেখা
মিউজিক

ইসলামে মিউজিক দৃষ্টিভঙ্গি (দ্বিতীয় পর্ব)

যারা গান হালাল মনে করেন, তাদের দলিল ওপরে যারা গান-বাজনা হারাম মনে করেন, তাদের দলিলসমূহ একে একে উপস্থাপন করা হয়েছে। ওসব দলিল পর্যালোচনা করার পর তার সবগুলোই অসার প্রমাণিত হয়েছে। তার মধ্যে একটি দলিলও মজবুত প্রমাণিত হয়নি। যখন গান হারাম…

ড. ইউসুফ আল কারযাভী
মিউজিক

ইসলামে মিউজিক দৃষ্টিভঙ্গি (প্রথম পর্ব)

ইসলাম নান্দনিকতার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। ইসলাম মানুষের সৌন্দর্য উপলব্ধিকারী ইন্দ্রিয়কে সজীব করতে চায়। কিছু কিছু নান্দনিকতা মানুষের শ্রবণেন্দ্রিয়ের সঙ্গে…

ড. ইউসুফ আল কারযাভী
অনুদান দিন
Scroll to Top