ইসলামী চিন্তা

যে সকল পরিভাষা ইসলামী জ্ঞানের ধারা ও সংস্কৃতিকে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে ‘তাফাক্কুর’ (চিন্তা) হলো সেগুলোর মধ্যে অন্যতম।

আরও দেখুনকম দেখুন

কোরআনের আয়াতসমূহকে নিয়ে গবেষণার ফলে, তাফসীর, ফিকহ, ইলমূল কালামের মত জ্ঞানের গুরুত্ত্বপূর্ণ শাখাসমূহ উদ্ভাবিত হয়েছে এবং অনুপম এক ইলমী (জ্ঞানগত) জগৎ গড়ে উঠেছে। মহাগ্রন্থ আল কোরআনের আয়াত সমূহ আমাদেরকে মহাবিশ্ব নিয়ে চিন্তা (তাফাক্কুর) করার জন্য অনুপ্রেরণা দিয়েছে। কোরআনের এই প্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে মুসলমানগন প্রাকৃতিক বিজ্ঞানসমূহ (Natural Sciences) নিয়ে ব্যাপকভিত্তিক গবেষণা এবং এই সম্পর্কিত অনেক গ্রন্থ রচনা করে এই অঙ্গনকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ করে তুলেছে।

আনফুসী জগতে (মানুষের অভ্যন্তরীণ) বাস্তবায়িত তাফাক্কুর (চিন্তা) মনোবিজ্ঞান (সাইকোলজি) এবং আখলাকের মতো বিভিন্ন ধরণের জ্ঞানের পাশাপাশি আমাদের অন্তর্জগতকে সমৃদ্ধকারী এক ইরফানের ধারা সৃষ্টিতে সাহায্য করে। মহাগ্রন্থ আল কোরআনে উল্লেখিত চিন্তা সম্পর্কিত পরিভাষার দিকে যদি তাকাই তাহলে দেখতে পাই যে, এই চিন্তারধারা তায়াক্কুল (التعقل), তাফাক্কুর ( التفكر) , তাদাব্বুর (التدبر) , তাজাক্কুর (التذكر) , তায়াম্মুল (التأمل), নাজার (النظر), বাসার (البصر) এবং ইতিবার (الاعتبار ) এই সকল পরিভাষার সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।

বর্তমান যুগে ইসলামী চিন্তা ও বিশ্বাসকে নতুন করে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য, ইসলামী চিন্তার মূলধারা এবং মূলনীতি সমূহকে এই সকল পরিভাষার আলোকে নতুন করে পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। একটি নব সভ্যতা প্রতিষ্ঠা করার জন্য কিংবা একটি সভ্যতাকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য প্রথমে আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমরা এই ব্যাপারে কোন উৎসকে মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করবো এবং এই সকল উৎসের সাথে আমাদের সম্পর্ক কীভাবে স্থাপিত হবে।

১টি লেখা
ইসলামী চিন্তা

ঈদ ও রমজান

(আল্লামা ইকবাল এই খুৎবাটি ১৯৩২ সালে ঈদ-উল-ফিতরের সময় দিয়েছিলেন। যেটা পরে 'আঞ্জুমানে ইসলামী পাঞ্জাব' ছাপিয়েছিল।) কুরআন মাজীদে আল্লাহ বলেছেনঃ "شَہْرُ رَمَضَانَ الَّذِيْٓ اُنْزِلَ فِيْہِ الْقُرْاٰنُ ھُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنٰتٍ مِّنَ الْہُدٰى وَالْفُرْقَانِ فَمَنْ شَہِدَ مِنْكُمُ الشَّہْرَ فَلْيَصُمْہُ "রমজান মাস, এই মাসেই…

অনুদান দিন
Scroll to Top