আবুল মনসুর আহমদ
আবুল মনসুর আহমদ (৩ সেপ্টেম্বর ১৮৯৮ – ১৮ মার্চ ১৯৭৯) ছিলেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, আইনজীবী ও সাংবাদিক। তিনি একাধারে রাজনৈতিক চিন্তাবিদ, আইনজ্ঞ এবং সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বাংলা সাহিত্যে তিনি বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছেন বিদ্রূপাত্মক ও ব্যঙ্গধর্মী রচনার জন্য।
সাংবাদিকতা জীবনে তিনি অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে প্রকাশিত ইত্তেহাদ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কৃষক ও নবযুগ পত্রিকাতেও সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯) ও আত্মকথা (১৯৭৩) বাংলা সাহিত্যে রাজনৈতিক স্মৃতিকথার গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়
আবুল মনসুর আহমদ ১৮৯৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আব্দুর রহিম ফরাজী এবং মাতার নাম মীর জাহান খাতুন।
ছাত্রজীবন ও মানসিক বিকাশ
তিনি ১৯১৭ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯১৯ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে ঢাকা কলেজে দর্শনে অনার্স অধ্যয়নে ভর্তি হন।
আইন শিক্ষার জন্য তিনি কলকাতার রিপন কলেজে অধ্যয়ন করেন এবং সেখান থেকে আইন শাস্ত্রে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এই সময়টি ছিল খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের উত্তাল পর্ব।
শিক্ষাজীবনের শুরুর দিকে তিনি একটি গোঁড়া মোহাম্মদী পরিবারে বেড়ে উঠলেও ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের হেড মৌলভী আলী নেওয়াজ এবং শিক্ষক মৌলভী শেখ আবদুল মজিদের সংস্পর্শে এসে উদার ও মুক্তমনস্ক মুসলিম চিন্তাধারার সঙ্গে পরিচিত হন। ১৯১৮–১৯ সাল থেকেই তিনি কবরপূজা, পীরপূজাসহ হিন্দু-মুসলিম সমাজের বিভিন্ন কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অবস্থান নেন এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরোধিতা শুরু করেন।
কর্মজীবন
আবুল মনসুর আহমদ প্রায় নয় বছর ময়মনসিংহে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি কলকাতায় পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
তিনি ইত্তেহাদ, সুলতান, মোহাম্মদী ও নাভায়ুসহ একাধিক পত্রিকায় কাজ করেন। ইত্তেহাদ-এর সম্পাদক হিসেবে তিনি ভাষা আন্দোলনের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
চল্লিশ, পঞ্চাশ ও ষাটের দশকজুড়ে তিনি ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতান্ত্রিক চেতনার পক্ষে নিরবচ্ছিন্নভাবে লেখালেখি ও প্রচার চালান।
রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের পর তিনি বাংলার মুসলিম লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং ১৯৪০ সাল থেকে পাকিস্তান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন।
তিনি যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক ২১ দফা কর্মসূচির অন্যতম প্রণেতা ছিলেন। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের মনোনয়নে পূর্ববঙ্গ পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং ফজলুল হক মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৫৫ সালে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৫৬ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের শিক্ষামন্ত্রী এবং ১৯৫৬–৫৭ সালে বণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান কর্তৃক সামরিক শাসন জারি হলে তিনি গ্রেফতার হন এবং ১৯৬২ সালে মুক্তি পান। পূর্ববাংলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়নে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
তিনি আওয়ামী মুসলিম লীগ (পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নেতা এবং ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত দলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৯ সালে তিনি দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ–৭ (ত্রিশাল) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
আবুল মনসুর আহমদ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিমান ব্যঙ্গকার। তাঁর ব্যঙ্গরচনায় মুসলিম সমাজের গোঁড়ামি, ধর্মান্ধতা ও ভণ্ডামিকে তীক্ষ্ণ বিদ্রূপের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। আয়না ও ফুড কনফারেন্স গ্রন্থে তাঁর এই ব্যঙ্গধর্মী দৃষ্টিভঙ্গির পরিপূর্ণ প্রকাশ দেখা যায়।
গ্রন্থসমূহ
ব্যঙ্গরচনা
- আয়না (১৯৩৬–৩৭)
- ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪)
- গালিভারের সফরনামা
স্মৃতিকথা
- আত্মকথা (১৯৭৩)
- আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯)
- শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু (১৯৭২)
অন্যান্য রচনা
- হুযুর কেবলা (১৯৩৫)
- সত্য মিথ্যা (১৯৫৩)
- জীবনক্ষুধা (১৯৫৫)
- বাংলাদেশের কালচার (১৯৬৬)
- আসমানী পর্দা (১৯৬৪)
- আবে হায়াত (১৯৬৮)
- বেশিদামে কেনা কম দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা (১৯৮২)
বাংলা একাডেমি সম্প্রতি তাঁর রচনাসমগ্র তিন খণ্ডে প্রকাশ করেছে। আরও তিন খণ্ড প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।
পুরস্কার ও সম্মাননা
সাহিত্যচর্চায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬০), নাসিরুদ্দীন স্বর্ণপদক এবং দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৭৯) লাভ করেন।
মৃত্যু
আবুল মনসুর আহমদ ১৯৭৯ সালের ১৮ মার্চ ঢাকায় ইন্তিকাল করেন।
আবুল মনসুর আহমদ (৩ সেপ্টেম্বর ১৮৯৮ – ১৮ মার্চ ১৯৭৯) ছিলেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, আইনজীবী ও সাংবাদিক। তিনি একাধারে রাজনৈতিক চিন্তাবিদ, আইনজ্ঞ এবং সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বাংলা সাহিত্যে তিনি বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছেন বিদ্রূপাত্মক ও ব্যঙ্গধর্মী রচনার জন্য।
সাংবাদিকতা জীবনে তিনি অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে প্রকাশিত ইত্তেহাদ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কৃষক ও নবযুগ পত্রিকাতেও সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯) ও আত্মকথা (১৯৭৩) বাংলা সাহিত্যে রাজনৈতিক স্মৃতিকথার গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়
আবুল মনসুর আহমদ ১৮৯৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আব্দুর রহিম ফরাজী এবং মাতার নাম মীর জাহান খাতুন।
ছাত্রজীবন ও মানসিক বিকাশ
তিনি ১৯১৭ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯১৯ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে ঢাকা কলেজে দর্শনে অনার্স অধ্যয়নে ভর্তি হন।
আইন শিক্ষার জন্য তিনি কলকাতার রিপন কলেজে অধ্যয়ন করেন এবং সেখান থেকে আইন শাস্ত্রে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এই সময়টি ছিল খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের উত্তাল পর্ব।
শিক্ষাজীবনের শুরুর দিকে তিনি একটি গোঁড়া মোহাম্মদী পরিবারে বেড়ে উঠলেও ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের হেড মৌলভী আলী নেওয়াজ এবং শিক্ষক মৌলভী শেখ আবদুল মজিদের সংস্পর্শে এসে উদার ও মুক্তমনস্ক মুসলিম চিন্তাধারার সঙ্গে পরিচিত হন। ১৯১৮–১৯ সাল থেকেই তিনি কবরপূজা, পীরপূজাসহ হিন্দু-মুসলিম সমাজের বিভিন্ন কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অবস্থান নেন এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরোধিতা শুরু করেন।
কর্মজীবন
আবুল মনসুর আহমদ প্রায় নয় বছর ময়মনসিংহে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি কলকাতায় পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
তিনি ইত্তেহাদ, সুলতান, মোহাম্মদী ও নাভায়ুসহ একাধিক পত্রিকায় কাজ করেন। ইত্তেহাদ-এর সম্পাদক হিসেবে তিনি ভাষা আন্দোলনের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
চল্লিশ, পঞ্চাশ ও ষাটের দশকজুড়ে তিনি ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতান্ত্রিক চেতনার পক্ষে নিরবচ্ছিন্নভাবে লেখালেখি ও প্রচার চালান।
রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের পর তিনি বাংলার মুসলিম লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং ১৯৪০ সাল থেকে পাকিস্তান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন।
তিনি যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক ২১ দফা কর্মসূচির অন্যতম প্রণেতা ছিলেন। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের মনোনয়নে পূর্ববঙ্গ পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং ফজলুল হক মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৫৫ সালে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৫৬ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের শিক্ষামন্ত্রী এবং ১৯৫৬–৫৭ সালে বণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান কর্তৃক সামরিক শাসন জারি হলে তিনি গ্রেফতার হন এবং ১৯৬২ সালে মুক্তি পান। পূর্ববাংলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়নে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
তিনি আওয়ামী মুসলিম লীগ (পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নেতা এবং ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত দলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৯ সালে তিনি দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ–৭ (ত্রিশাল) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
আবুল মনসুর আহমদ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিমান ব্যঙ্গকার। তাঁর ব্যঙ্গরচনায় মুসলিম সমাজের গোঁড়ামি, ধর্মান্ধতা ও ভণ্ডামিকে তীক্ষ্ণ বিদ্রূপের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। আয়না ও ফুড কনফারেন্স গ্রন্থে তাঁর এই ব্যঙ্গধর্মী দৃষ্টিভঙ্গির পরিপূর্ণ প্রকাশ দেখা যায়।
গ্রন্থসমূহ
ব্যঙ্গরচনা
- আয়না (১৯৩৬–৩৭)
- ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪)
- গালিভারের সফরনামা
স্মৃতিকথা
- আত্মকথা (১৯৭৩)
- আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯)
- শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু (১৯৭২)
অন্যান্য রচনা
- হুযুর কেবলা (১৯৩৫)
- সত্য মিথ্যা (১৯৫৩)
- জীবনক্ষুধা (১৯৫৫)
- বাংলাদেশের কালচার (১৯৬৬)
- আসমানী পর্দা (১৯৬৪)
- আবে হায়াত (১৯৬৮)
- বেশিদামে কেনা কম দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা (১৯৮২)
বাংলা একাডেমি সম্প্রতি তাঁর রচনাসমগ্র তিন খণ্ডে প্রকাশ করেছে। আরও তিন খণ্ড প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।
পুরস্কার ও সম্মাননা
সাহিত্যচর্চায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬০), নাসিরুদ্দীন স্বর্ণপদক এবং দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৭৯) লাভ করেন।
মৃত্যু
আবুল মনসুর আহমদ ১৯৭৯ সালের ১৮ মার্চ ঢাকায় ইন্তিকাল করেন।
- All Posts
- আন্তর্জাতিক রাজনীতি
- চিন্তা ও দর্শন
- ফিচারড
- বাংলাদেশ সম্পর্কিত রিপোর্ট ও লেখা
- বিজ্ঞাপন
- ব্যক্তিত্ব
- মুসলিম উম্মাহ
- রাজনীতি ও অর্থনীতি
- সভ্যতা
- সমাজ ও সংস্কৃতি
- সাক্ষাৎকার
- Back
- রাজনীতি
- অর্থনীতি
- Back
- দর্শন
- তাসাউফ ও আধ্যাত্মিকতা
- ইসলামী দর্শন
- উসূল ও মেথডোলজি
- আখলাক ও নন্দনতত্ত্ব
- ইলমুল কালাম
- ইসলামী চিন্তা
- মাকাসিদ আশ শারীয়াহ
- Back
- ইতিহাস
- সমাজবিজ্ঞান
- Back
- বিশ্বব্যাপী ইসলামী আন্দোলন
- উপমহাদেশ
- Back
- কৃষি
- বাংলাদেশ
- Back
- বই পর্যালোচনা
- Back
- সংস্কৃতি
- শিল্পকলা
- শহর ও স্থাপত্য
- সিনেমা পর্যালোচনা
- মিউজিক
- সাহিত্য



